ইসির ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য দ্রুত প্রকাশের দাবি সুজনের

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ

  ইত্তেফাক রিপোর্ট

সুশাসনের জন্য নাগরিক। ছবি: সংগৃহীত।

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সকল প্রার্থীর আয়কর বিবরণী ও কর পরিশোধের তথ্যসহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য দ্রুত প্রকাশ ও একইসঙ্গে পেন ড্রাইভে সরবরাহের দাবি জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন। সোমবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি আবেদন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব ও দুই সিটির রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, “ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যায়, প্রার্থীদের আয়কর বিবরণী ও কর পরিশোধের তথ্য প্রদান করা হয়নি; যদিও জাতীয় নির্বাচনসহ অতীতে অনুষ্ঠিত সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তথ্যসমূহ প্রকাশ করা হয়েছিল। পাশাপাশি এখন পর্যন্ত সকল ওয়ার্ড বিশেষ করে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অধিকাংশ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। আমরা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকেও সকল ধরনের তথ্য পেন ড্রাইভ/সিডি বা ফটোকপির মাধ্যমে সংগ্রহ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।”

আবেদনপত্রে আরও বলা হয়, সুজন পরিচালিত কার্যক্রমসমূহের মধ্যে নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম অন্যতম। জাতীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে সুজন কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্যায়ন করে থাকে। পাশাপাশি নির্বাচনের পূর্বে প্রার্থীদের মনোনায়নপত্রের সঙ্গে দাখিল করা হলফনামা, আয়কর বিবরণী ও কর পরিশোধের তথ্য বিশ্লেষণ করে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করে থাকে। 

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন খুবির ছয় শিক্ষার্থী

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত 'সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল' (২০১৯ সংস্করণ)-এর ১৯ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, মনোনায়নের সঙ্গে কপি করে হলফনামাসহ কাগজাদি দাখিল, প্রত্যেক প্রার্থীর মনোনায়নপত্রের সঙ্গে ০৩ কপি করে হলফনামা, সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী, আয়কর রিটার্ন এবং কর পরিশোধের প্রমাণপত্রের কপি রিটানিং কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে হবে। উক্ত তিন কপি কাগজাদির মধ্যে এক কপি রিটানিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে সংরক্ষণ করতে, এক কপি রিটানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে টাঙিয়ে দিতে এবং এক কপি এনজিও ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে ফটোকপি করে নেওয়ার জন্য রাখতে বলা হয়েছে।

আবেদন পত্রে আরও দাবি জানানো হয়েছে, প্রার্থীদের মনোনায়নপত্র দাখিল করার সঙ্গে হলফনামা, সম্ভাব্য অর্থের উৎসের বিবরণী, আয়কর রিটার্ন ও কর পরিশোধের প্রমাণপত্রের অনুলিপি স্ক্যান করে পিডিএফ ফাইল তৈরি করতে হবে। এরপর ওই পিডিএফ ফাইল নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নির্ধারিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে। 

ইত্তেফাক/আরআই