ডেঙ্গু নিধনে মাঠে কাউন্সিলর আসাদ

ডেঙ্গু নিধনে মাঠে কাউন্সিলর আসাদ
ছবি : ইত্তেফাক

করোনা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ছড়িয়েছে ডেঙ্গু আতঙ্ক। করোনা পরিস্থিতিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবজি বিতরণ, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ত্রাণ ও খাবার বিতরণ, জীবানুনাশক ছিটানোর পর এবার দুই সপ্তাহ আগে থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে নিজ ওয়ার্ডে কাজ শুরু করেছেন কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান আসাদ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশানের ২১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তিনি। গত ১০ দিন ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

নিজের কার্যক্রম সম্পর্কে বলতে গিয়ে আসাদ বলেন, ডেঙ্গুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন আগাম প্রস্তুতি ও ডেঙ্গুর প্রজনন স্থল ধ্বংস করা। জনগণের জন্য কাজ করতে তারা আমায় ভোট দিয়েছে। এখন তাদের সুরক্ষিত রাখতে যত ধরনের উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন তা আমি করে যাবো। গত দশদিন ধরে কাজ করছেন বলে জানান তিনি। এলাকার প্রত্যেকটি বাড়ির আশেপাশে ঝোপঝাড় পরিষ্কার এবং কীটনাশক স্প্রের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

মশা নিধনে সন্তুষ্ট তার ওয়ার্ডের বাসিন্দারাও। মনোয়ারুল ইসলাম নামে এক বাসিন্দার সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমদিকে মশার উৎপাত বেশী থাকলেও এখন তার প্রাদুর্ভাব অনেকটা কমে গেছে। এতে কিছুটা নিরাপদ বোধ করছেন তিনি।

আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমি একা হয়তো চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু একটা ওয়ার্ডের প্রচেষ্টা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট নয়। অন্যান্য ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, নগরের অধিবাসী সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে। নাইলে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ আমাদের অতিষ্ঠ করে তুলবে।

নিজের ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সকলকে সচেতন হতে হবে। টব বা ছাদের কোথাও বৃষ্টির পানি জমিয়ে রাখা যাবে না। এখন সময় এসেছে, করোনার পাশাপাশি ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করার। তা না হলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ডেঙ্গু মশার প্রকোপ বেড়ে যাবে।

কাউন্সিলরের এমন কার্যক্রম সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিযামুল হক ভুঁইয়া বলেন, নিজের ওয়ার্ডে আসাদ সাড়া জাগানোর মতো কাজ করছে। করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবজি বিতরণ, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে ত্রাণ ও খাবার বিতরণ, জীবানুনাশক ছিটানো, ডেঙ্গু ও করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে জীবানুনাশক স্প্রে করার মতো কাজ করেছ। এর ফলাফলও ভালো। তার এমন উদ্যাগের ফলে এ এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ যেমন কমেছে তেমনি করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও অন্যান্য এলাকা থেকে কম। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এটা তার সবচাইতে বড় সার্থকতা।

ইত্তেফাক/কেকে

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত