নারীদের ফাঁদে ফেলে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি

নারীদের ফাঁদে ফেলে নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রি
প্রতীকি ছবি

প্রতারণার অভিযোগে নারীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ, প্রেমের ফাঁদে ফেলে পতিতাপল্লীতে বিক্রি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা সেলিম শেখ ওরফে মোস্তফা সেলিমের গ্রেফতার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মলিনা আক্তার জুঁই, মো. রিপন, সেলিমের বড় স্ত্রী বেবী বেগম ও তার তিন সন্তান সাব্বির, শামীম, সাদিয়া আক্তারসহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা তার গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী মলিনা আক্তার জুঁই জানান, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে থাকাবস্থায় প্রেমের সম্পর্ক করে সেলিম তাকে রাজবাড়ির পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দেয়। ১১ মাস পর সেখান থেকে কোনো ভাবে ফিরে এলে সেলিম বিয়ের প্রলোভনে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে, বিয়ের কথা বললে সে নির্যাতন করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় জুঁই মামলা করেছেন।

এছাড়া আঙ্গুরী বেগম নামের আরেক নারী জানান, তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সুবাদে তিন লাখ টাকা ধার নেয় সেলিম। পরবর্তীতে ওই টাকা ফেরত চাইলে তাকে মিথ্যা মামলা ও প্রাণনাশের ভয় দেখায়। এ ঘটনায় তিনিও সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. রিপন জানায়, সেলিমকে একজন সন্ত্রাসী হিসেবে জানতাম, তাই তাকে প্রায়ই চাঁদা দিতে বাধ্য হতাম। হঠাৎ সে সহ তার ৭/৮ জন সহযোগী রিপনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে জিনিসপত্র ও টাকা-পয়সা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় সেলিমের বিরুদ্ধে তিনি মামলা করেছেন।

অভিযুক্ত সেলিমের স্ত্রী বেবী বেগম অভিযোগ করেন, তার সাথে ২০০৩ সালে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন সেলিম সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। একাধিক নারীকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে তাদের সর্বস্ব ছিনিয়ে নিয়েছে। তাকে সন্ত্রাসের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি। এখন সে তিনটি শিশু সন্তানের ভরণ পোষণের খরচ চাইলে নির্যাতন করে। এ ঘটনায় তিনিও যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেছেন।

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x