অযৌক্তিক জরিমানায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হোটেল ব্যবসা

হোটেল মালিকদের অভিযোগ 
অযৌক্তিক জরিমানায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হোটেল ব্যবসা
ছবি: সংগৃহীত

অযৌক্তিকভাবে জরিমানায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। আর জরিমানার টাকা আদায়ে দেরি হওয়ায় মালিক ও কর্মচারীদের জেলে যেতে হচ্ছে বলেও জানান তারা।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালায় ঢাকা জেলা প্রশাসন। যেখানে জরিমানার মুখে পড়তে হয় হোটেল ও রেস্তোরা ব্যবসায়ীদের। রামপুরার আল কাদেরিয়া হোটেলে অভিযান চালিয়ে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এতো টাকা তাৎক্ষণিকভাবে দিতে না পারায় হোটেলের ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম রনিকে জেলে পাঠানো হয়।

রেস্তোরাঁ মালিকদের বাঁচানোর আহ্বান

আল কাদেরিয়া রেস্টুরেন্টের মালিক ও বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতির প্রথম যুগ্ম মহাসচিব ফিরোজ আলম সুমন বলেন, ‌‘আমরা সব নিয়ম কানুন মেনেই ব্যবসা করছি। ৯টা লাইসেন্স লাগে যেগুলো যেগুলোর সব আছে। আর ডিসি অফিস থেকে যে লাইসেন্স নিতে হয় তার জন্যও ২০১৭ সালে আবেদন করেছি। এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। এ লাইসেন্স পাওয়ার জন্য যেসব ডকুমেন্ট দিতে বলা হয় তা অনেক ক্ষেত্রেই অসম্ভব। জমির মূল দলিলের মতো ডকুমেন্ট ভাড়া করা বিল্ডিংয়ে পাওয়া খুবই কঠিন। এ বিষয়টা ডিসি অফিস অনেক ক্ষেত্রেই বুঝতে চান না। ঢাকা শহরে এখন এক শতাংশ রেস্তোরাতেও ডিসি অফিসের লাইসেন্স নেই।'

ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুলিশের মেজিস্ট্রেট শেখ রফিকুল হক ইত্তেফাককে বলেন, ‌‘বাংলাদেশ হোটেল-রেস্তোরাঁ আইন-২০১৪ অনুযায়ী ৩০ আসনের বেশি কোনো হোটেল-রেস্তোরা লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করতে পারবে না। লাইসেন্স না থাকলে দুই লাখ টাকা এবং অনাদায়ে ৬ মাস পর্যন্ত জেল হতে পারে। সে অনুযায়ী আল-কাদেরিয়া হোটেলকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর ম্যানেজারকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জরিমানা আদায় হলেই তাকে মুক্তি দেওয়া হবে।’

ইত্তেফাক/এমআর/কেকে

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x