বঙ্গবন্ধু না থাকলে, দেশ স্বাধীন হতো না: সৈয়দ আবুল মকসুদ

প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০১৯, ১৭:২৯ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

‘আন্দোলন-সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। ছবি : সংগৃহীত

‘বঙ্গবন্ধু কিশোর বয়স থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি না থাকলে এদেশ কখনো মুক্ত হতো না, স্বাধীন হতো না। জীবনের অধিকাংশ সময় ব্যয় করেন বাঙালি জাতির মঙ্গলে আন্দোলন-সংগ্রামে’-এমন মন্তব্য করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের (বোয়াফ) উদ্যোগে ‘আন্দোলন-সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভেতরে এমন মানবিকতা ছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তিনি খাবার আগে তাঁর সঙ্গে যারা থাকতেন তাদের খবর নিতেন। এমন কি গাড়ি চালকদের কে খেয়েছে কে খায়নি সব তদারকি করে তারপর নিজে খেতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু যদি আন্দোলন-সংগ্রামে না থাকতেন তাহলে এই দেশ কখনোই মুক্তি পেতো না। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ বঙ্গবন্ধুর শত বর্ষ পালন করা বাঙালি জাতির অবশ্য কর্তব্য।’

সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানবিকতার বিষয়টি সবচেয়ে বড় করে দেখতেন। মানবিকতার জন্যও তিনি জেল খেটেছেন। মানবিকতার শক্তি দিয়েই তিনি নেতৃত্ব ধরে রেখেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মধ্যে সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিদ্যমান ছিল। এই তিনটি গুণ তাঁর মধ্যে ছিল বলেই তিনি রাজনীতিতে বিশাল স্থান পেয়েছিলেন। আপামর মেহেনতি জনতা তাকে সম্মান করতেন, শ্রদ্ধা জানাতেন, সমীহ করতেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানুষকে মানবিকতার দৃষ্টি দিয়ে দেখতেন বলেই তিনি দেশে ও বিদেশে এতো জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। মানুষের মন জয় করেই যে কোনো ব্যাপারে সম্মতি দিতেন।’

ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম বলেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ৭০ এর নির্বাচনেও জনগণের মন জয় করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর জানতেন তাঁর নেতৃত্বের প্রধান উৎস জনগণ। তাই তিনি যে কোনো ব্যাপারে সবার সঙ্গে মতবিনিময় করতেন এবং সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারতেন।’

আরও পড়ুন: দৌলতপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গেছেন শিক্ষক

বোয়াফ সিনিয়র সদস্য তুলি হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা অংশগ্রহণ করেন সংবিধান প্রণেতা ও বিজ্ঞ আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক সৈয়দ আবুল মকসুদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলাম লেখক বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

ইত্তেফাক/কেকে