সমাজ-পরিবার-কর্মক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব নিরসনের দক্ষতা শীর্ষক কর্মশালা

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০১৯, ০২:১৬ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

সমাজ, পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব নিরসনের দক্ষতা শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ান লাইট ইনস্টিটিউট (ওএলআই) এবং বাংলাদেশের সেন্টার ফর তাজউদ্দীন আহমদ রিসার্চ এন্ড এ্যাক্টিভিজম (সিতারা) এর যৌথ আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে সমাজ, পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে দ্বন্দ্ব নিরসনের দক্ষতা শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা। 

ওএলআই এর সভাপতি শারমিন আহমদ এবং সিতারার সভাপতি মো. আফতাবের উপস্থিতিতে উক্ত কর্মশালায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জাতিসংঘের ইউনিভার্সিটি ফর পিস এর ভিজিটিং প্রফেসর ড. আমর আব্দাল্লাহ। পরিবার, সমাজ ও কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন স্তরে বিদ্যমান সংঘাত নিরসন ও সার্বিক শান্তি আনয়নে এ ধরনের কর্মশালা কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেন কর্মশালায় উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এফ. এম. তানভীর শাহরিয়ার। 

রিফা রাফিয়া মুনিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সিতারার সভাপতি আফতাব জানান, সিতারা এবং ওএলআই এর যৌথ আয়োজনে এটিই প্রথম কর্মশালা যা আগামীতে আরও বিস্তর পরিসরে অব্যাহত থাকবে। ওএলআই এর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও জানান, শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের হতদরিদ্র মানুষের জীবনমানের উন্নতি এবং তৃণমূলে শান্তির চর্চা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সিতারার সকল ইতিবাচক উদ্যোগে সার্বিক সহায়তা ও যৌথ ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ওএলআই এর সভাপতি ও বিশিষ্ট লেখিকা শারমিন আহমদ। এর ফলে বাংলাদেশের বিশেষত গাজীপুরের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনমানে ব্যপক উন্নয়ন সাধিত হবে বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করেন ক্ষুদে এই  শিক্ষা উদ্যোক্তা। 

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় মোট ১৮ জন অংশগ্রহণকারীকে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করা হয়, যা তাঁদের কর্মক্ষেত্রে বিশেষত বিদেশে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক ড. আমর আব্দাল্লাহ। উল্লেখ্য, প্রশিক্ষণার্থীদের উচ্ছসিত সন্তোষ ও আন্তরিক অনুরোধের প্রক্ষিতে খুব শিগগিরই আরও একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেন আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিতারার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জনাব মোহাম্মাদ বেলাল হোসাইন ও মীর সরওয়ার আলম সজল। 

ইত্তেফাক/এমআই