ঢাকা বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৬
২৯ °সে


চীনের পানি ঢুকলে বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে

আশঙ্কা সংসদীয় কমিটির
চীনের পানি ঢুকলে বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে
সিরাজগঞ্জে কমতে শুরু করেছে যমুনা নদীর পানি। ছবি: ইত্তেফাক

ভারতের পাশাপাশি চীনের বন্যার পানিও বাংলাদেশে প্রবেশের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। গতকাল রবিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে ২৮টি জেলা বন্যাকবলিত। চীনের পানি যখন পুরোদমে আসা শুরু করবে তখন পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। তবে সরকারের আগাম প্রস্তুতি রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বন্যাকবলিত কোনো কোনো এলাকায় হয়তো পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী পৌঁছেনি। মন্ত্রণালয় এটা মনিটর করছে। ত্রাণ যাতে অপ্রতুল না হয়, সেই বিষয়ে সতর্ক থাকতে কমিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছে। কমিটি সভাপতি জানান, আজ সোমবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বন্যা উপদ্রুত এলাকা সফরে যাওয়া হবে।

এদিকে বৈঠকে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি তাজুল বলেন, দেখা যায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আর চেয়ারম্যানরা সিদ্ধান্ত দেন কোথায় ব্রিজ লাগবে আর কোথায় লাগবে না। তারা তো এবিষয়ে এক্সপার্ট নন। কোথায় ব্রিজ হলে ইকোলজিক্যাল কী ব্যালান্স হবে—এটা তাদের জানার কথা নয়। এজন্য সংসদীয় কমিটি প্রকৌশলীদের মাধ্যমে সম্ভাব্যতা যাচাই করে এগুলো নির্মাণের সুপারিশ করেছে। তিনি আরো বলেন, কমিটি ভৌগোলিকতা বিবেচনা করে কালভার্টের সংখ্যা বরাদ্দ না দিয়ে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে এটা করতে বলেছে। কারণ দেখা যাচ্ছে ৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটা ইউনিয়নে পাঁচটি কালভার্ট বরাদ্দ পাবে। কিন্তু বাস্তবে তা দরকার কি না, সেটা বিবেচনায় নিতে হবে।

আরও পড়ুন: নিখোঁজ হওয়ার ৬ ঘন্টা পর অচেতন অবস্থায় ২ ছাত্রী উদ্ধার

কাবিখা কর্মসূচির প্রসঙ্গে তাজুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় গম। কিন্তু উপজেলা থেকে তারা গমের পরিবর্তে পান চাল। টনপ্রতি চালের দাম যদি ৪০ হাজার করে ধরা হয় বাস্তবে এর দাম ১৮ হাজার বা তার চেয়েও কম। এই প্রকল্পের যিনি চেয়ারম্যান থাকেন তিনি কীভাবে এটার সমন্বয় করবেন? তাকে তো চুরি করতে বাধ্য করা হচ্ছে, তাকে হিসাব মিলাতে গিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিতে হচ্ছে। আমরা বিষয়টি স্বচ্ছতার মধ্যে আনতে বলেছি। তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য-দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার (ছেলুন), আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জুয়েল আরেং, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও কাজী কানিজ সুলতানা অংশ নেন।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন