বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭
২৭ °সে

ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার

ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার
জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনারে অতিথিরা। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর তেজগাঁও ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জঙ্গিবাদবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ‘জাগো তারুণ্য, রুখো জঙ্গিবাদ’ শিরোনামে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন এ সেমিনারটির আয়োজন করে।

সেমিনারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরজাহান বেগম মুক্তা বলেন, জঙ্গিবাদ হলো নিজের স্বার্থে, গোষ্ঠীর স্বার্থে, অন্যায়ভাবে ক্ষমতা দখলের জন্য ইসলামের নামে ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা। ইসলাম কখনোই জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না। মানুষ কেন, বিনা কারণে প্রাণিকেও হত্যা অনুমোদন দেয়নি ইসলাম।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এখন প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। সমৃদ্ধির অন্যতম উদাহরণ। শেখ হাসিনার হাতে সবচেয়ে বেশি নিরাপদ দেশ। এই এগিয়ে যাওয়াকে, সমৃদ্ধিকে পিছিয়ে দিতেই চক্রান্ত স্বাধীনতাবিরোধীদের। এরাই জঙ্গি, জঙ্গিবাদের মদদদাতা। এদেরকে যে কোনভাবেই রুখতে হবে। আর এই প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে তরুণদেরই।

সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও এই কার্যক্রমের সমন্বয়ক কানতারা খান বলেন, জঙ্গিবাদকে তোমাদেরই রুখতে হবে। আজকে যারা ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করছে, অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলতা করছে এরা কেউই প্রকৃত মুসলিম হতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, হলি আর্টিজানে যে নিরীহ, নিরাপরাধ মানুষদের হত্যা করা হয়েছে তাদের অনেকেই মেট্রোরেলের কাজে এ দেশে এসেছিলেন। কি ছিল তাদের অপরাধ? তারা তো আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। যারা তাদেরকে হত্যা করেছে, তারা যে বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না, দেশকে পিছিয়ে দিতে চায়, অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায় তা স্পষ্ট বোঝা যায়।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাজেদুর রহমান রাসেল। তিনি বলেন, রাশিয়ার পতনের পর জঙ্গিবাদের ধরণটা ছিল এক রকম। এখন সে ধরণটা পাল্টেছে। মুজাহিদীন তালেবান, আইএস সাম্রাজ্যবাদীরাই তৈরি করেছে। আবার দমন করার কৌশলও কৌশলগতভাবে আবিষ্কার করেছে। তারা সুফিয়ানিদের দ্বারা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও দখল করেছে।

আরো পড়ুন : ব্রেক্সিট নিয়ে দ্বিতীয় গণভোটের দাবি ডেভিড ক্যামেরনের

তিনি আরো বলেন, মুসলমানদের অনেকেই যথার্থ ইসলাম অনুসরণ করে না। অথচ অমুসলিম ইহুদীরা নবীর বাণী বিশ্বাস করে যে, ইমাম মেহেদীর আবির্ভাব ঘটবে এবং দাজ্জাল আসবে। ইতিমধ্যেই মূল খেলাটা শুরু হয়ে গেছে। দাজ্জাল জনসমুক্ষে না আসলেও তার আবির্ভাব ঘটেছে। জেরুজালেমকে রাজধানী করার জন্য বলা হয়েছে। লোদ শহরের কথা অনেকেই জানেন। কোরআন এবং নবীজীর বাণী বিশ্বাস করা ঈমানের অংশ। অথচ মজার বিষয় বিধর্মীদের তাতে বিশ্বাস আছে এবং তারা এই বাণীকে ধরেই ভবিষ্যতে কিভাবে মুসলমানদের অপদস্ত করবে তার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু আমরা শুধু ফতোয়ার মধ্যেই পড়ে আছি। ফেৎনা ফ্যাসাদ এর মধ্যে পড়ে আছি।

অনুষ্ঠানের সমাপনী ঘোষণা করেন ন্যাশনাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহ জাহান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন ‘আজ সারাবেলা’র সম্পাদক জব্বার হোসেন। বিজ্ঞপ্তি।

ইত্তেফাক/ইউবি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত