ভিডিও ভাইরাল: যা বললেন বহিষ্কৃত নেত্রী

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৯:৪৪ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

সুইটি আক্তার শিনু। ছবি: ভিডিও ও ফেসবুক থেকে নেওয়া

রিকশাচালককে মারধরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সুইটি আক্তার শিনু। তিনি ঢাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ছিলেন। 

বুধবার বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, ‘মিরপুরের রূপনগর আবাসিক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ জন্য আমি একদম স্যরি, যেহেতু আমার ভুল হয়ে গেছে। আমার এটা করা উচিত হয়নি। আমি স্যরি বলছি।’

দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে সুইটি আক্তার বলেন, ‘আমার ভুল হইছে। আমার দল ঠিক করেছে।’ তবে তিনি দাবি করেন, দলের বাইরের কিছু লোক ভিডিও করে তাকে অপব্যবহার করছে।

ভিডিও ভাইরাল হওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইলেকশনকে কেন্দ্র করে এইগুলা করতেছে। বেশি আমাদের বিপক্ষের লোকগুলা লেখালেখি করতেছে।’

রিকশাচালককে দ্রুত চালানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাসায় আমার বাচ্চা আছে এবং চুলায় রান্না চাপানো আছে। এটা বলার পরও রিকশাচালক ধীরে ধীরে চালাচ্ছিলেন। আর ভাঙা জায়গা দিয়ে রিকশা চালাচ্ছিলেন। ফলে তিনি রিকশা থেকে পড়ে যান। ’ 

এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে লজ্জার মুখে পড়েছেন বলে জানান সুইটি আক্তার।

আরো পড়ুন: ১২ বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ফারিয়া

মঙ্গলবার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক রিকশাচালকের ওপর চড়াও হয়েছেন সুইটি। তিনি নিজেই ওই রিকশার যাত্রী ছিলেন। রিকশা থেকে নেমে চালকের গায়ে হাত তোলেন। আবারো রিকশায় উঠে হাতের ব্যাগ দিয়ে চালককে মারতে উদ্যত হন। ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে লাথি ছুঁড়তেও দেখা যায়। গালিগালাজও করেন। পথচারীরা ওই নারীর আচরণের প্রতিবাদ করেন। এতে পথচারীদের সঙ্গেও ঝগড়ায় লিপ্ত হয়ে পড়েন তিনি।

এ ঘটনার পর বুধবার ঢাকা মহানগর উত্তরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী আব্দুল হারুন ও সাধারণ সম্পাদক মো. মকবুল হোসেন তালুকদার স্বাক্ষরিত বহিষ্কারের একটি চিঠি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ঢাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকার পদ থেকে সুইটি আক্তার শিনুকে বহিষ্কার করা হলো।

ইত্তেফাক/জেডএইচ