ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ২৮ কার্তিক ১৪২৬
২৩ °সে


ইইউ-বাংলাদেশের সুশাসন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

নির্বাচন নিয়ে মামলা হওয়ায় এই ফোরামে আলোচনার অবকাশ নেই

নির্বাচন নিয়ে মামলা হওয়ায় এই ফোরামে আলোচনার অবকাশ নেই
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতার সম্পর্ক বিস্তৃত ও জোরদারকরণের লক্ষ্যে সুশাসন ও মানবাধিকার বিষয়ক সাব-গ্রুপের নবম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় মেঘনা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে এ সভা অবুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশের পক্ষে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে ইউরোপীয়ান এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিষয়ক বিভাগের প্রধান ক্যারোলাইন ভিনোট যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে ইইউ হতে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, নিবন্ধিত ৩৯টি দলের অংশগ্রহণে প্রায় সতের শতাধিক প্রার্থীর প্রতিযোগিতায় অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনের চাহিত সকল ধরণের সহযোগিতা প্রদান করেছে। এই নির্বাচনে পূর্ববর্তী যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে কম সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারপরও নির্বাচন নিয়ে যেসব প্রার্থীর প্রশ্ন ছিল তাঁরা নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেছেন। সে বিবেচনায় নির্বাচন সম্পর্কিত প্রশ্নসমূহ (সাব-জুডিস) সম্পর্কে এই ফোরামে আলোচনার অবকাশ নেই।

সভায় ক্যারোলাইন ভিনোটের নেতৃত্বে একুশ সদস্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রতিনিধি অংশ নেন। সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গা ইস্যু সম্পর্কে ইইউকে জানোনো হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতার প্রশ্নে মায়ানমার হতে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছেন। বাংলাদেশে অবস্থিত মায়ানমারের নাগরিকগণ পরিবেশ, প্রতিবেশ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ যে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে তা দীর্ঘায়িত হলে এ অঞ্চলের রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিঘিœত হবে। রোহিঙ্গা সংকট বিশ^ মানবতার জন্য লজ্জাজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে।

সভায় মায়ানমারকে রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দ্রুত ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ইইউ এবং এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহসহ সকলের সমর্থন চাওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয় মায়ানমারের বিরুদ্ধে জোড়ালো ও শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে মায়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আগ্রহী হবে না। সভায় মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিষয়ে ইইউকে জানানো হয়, বাংলাদেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা অবারিত। সে কারণেই বহু সংখ্যক বে-সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল, সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়া তাদের মত করে সরকারের ব্যাপক সমালোচনা করছে। এ কারণে তাদের কারও বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১২ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন