বিমানবন্দর ভাঙচুরের পরও তাদের যেতে হলো কোয়ারেন্টাইনে

বিমানবন্দর ভাঙচুরের পরও তাদের যেতে হলো কোয়ারেন্টাইনে
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর [ফাইল ছবি]

গতকাল হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন বিরোধী বিক্ষোভ করেছেন লেবাননফেরত ২৭৮ জন বাংলাদেশি ও তাদের কয়েক শত আত্মীয়স্বজন। তারা বিমান বন্দরে ভাঙচুরও করেছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বেচ্ছায় দেশে ফেরার কর্মসূচির আওতায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে লেবানন থেকে দেশে আসেন ২৭৮ জন বাংলাদেশি। রবিবার রাতে লেবানন থেকে আসায় ফ্লাইটটিকে প্রথমে অবতরণ করতে দেওয়া হয়নি। ফ্লাইটটির বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে এয়ারলাইনস কিংবা দূতাবাস বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগে থেকে জানায়নি। অবতরণের অনুমতি নেই বলে এক ঘণ্টা ধরে আকাশেই চক্কর দিতে থাকে সেটি। শেষমেশ মাটিতে নামার অনুমতি পায়।

সে সময়ে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্যকর্মীরা অনুপস্থিত ছিলেন। সকাল ৭টার দিকে যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তাদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে নেওয়ার কথা। তবে তাদের স্বজনরা বিমানবন্দরে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন যাত্রীরাও।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিমানবন্দরে এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যাত্রীদের স্বজনেরা ১ নম্বর আগমনী টার্মিনালের গেট ধরে টানাটানি করেন। স্বজনেরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এদিকে যাত্রীরাও কোয়ারেন্টাইনে যাবেন না বলে চিৎকার করতে থাকেন।

বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদ-উল আহসান বলেন, লেবাননফেরত ব্যক্তিদের স্বজনেরা বিমানবন্দরের বাইরে এসে বিক্ষোভ করেছেন, ভাঙচুর করেছেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী বিমানটির দেশে আসার কথা নয়। ফ্লাইটটিতে করে বৈরুতের রফিক হারিরি এয়ারপোর্ট থেকে ২৭৮ জন যাত্রী আসেন। এটা বিশেষ বিবেচনার ফ্লাইট বলে নামতে দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/এমআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x