রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু

রামেক হাসপাতালে করোনা ও উপসর্গে আরও ১৩ জনের মৃত্যু
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল [ছবি: সংগৃহীত]

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এদের মধ্যে পাঁচজন পজিটিভ, আটজন উপসর্গে নিয়ে মারা যান।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে চলতি মাসের ২২ দিনে (১ থেকে ২২ জুন) এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ২২৯ জন। এর মধ্যে ১১০ জনই মারা গেছেন করোনা শনাক্তের পর। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

রামেকে করোনা রোগীর চাপে সংকুচিত হচ্ছে অন্য রোগীদের সেবা

রামেক পরিচালক জানান, নতুন মৃতদের ১২ জনই রাজশাহীর (পজিটিভ ৫, উপসর্গে ৭), একজন নাটোরের (উপসর্গে) মারা যান। মৃতদের ১০ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। এদের মধ্যে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী দুইজন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী একজন ও ৬১ প্লাস বছর বয়সী ৯জন রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৫৬ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ৩৭, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫, নাটোরের ৭, নওগাঁ ৫, কুষ্টিয়া ১ও অন্যান্য ১ জন। একই সময় সুস্থ হয়েছে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৬১ জন।

তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের ৩০৯ বেডের বিপরীতে করোনা ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন ৩৯৩ জন। গতকাল সোমবার ভর্তি ছিলেন ৪০২ জন। অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করে অতিরিক্ত রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে রাজশাহীর ২৫৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৬১, নাটোরের ৩৩, নওগাঁর ৩০, পাবনার ৭, কুষ্টিয়ার ৫, চুয়াডাঙ্গার ১ ও অন্যান্য ২ জন।

রামেক পরিচালক জানান, রবিবার রাজশাহীর দুই ল্যাবে দুই জেলার মোট ৪৬২ নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হয়েছে ১৫২ জনের। এদিন রাতে প্রকাশিত দু’টি পিসিআর ল্যাবের নমুনার ফলাফলে দেখা যায়, রাজশাহী শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

করোনা নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় নেই

করোনা ও উপসর্গে গত ১ জুন সাত, ২ জুন সাত, ৩ জুন নয়, ৪ জুন ১৬, ৫ জুন আট, ৬ জুন ছয়, ৭ জুন ১১, ৮ জুন আট, ৯ জুন আট, ১০ জুন ১২, ১১ জুন ১৫, ১২ জুন চার, ১৩ জুন ১৩, ১৪ জুন ১২, ১৫ জুন ১২, ১৬ জুন ১৩, ১৭ জুন ১০, ১৮ জুন ১২, ১৯ জুন ১০, ২০ জুন ১০ ও ২১ জুন ১৩ জন মারা যান।

ইত্তেফাক/এমআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x