নোয়াখালীতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়লো ৭ দিন

নোয়াখালীতে লকডাউনের মেয়াদ বাড়লো ৭ দিন
লকডাউন। ছবি: সংগৃহীত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে চলমান লকডাউনের সময়সীমা চতুর্থবারের মতো সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে চৌমুহনী পৌরসভা এবং বেগমগঞ্জ উপজেলার মীর ওয়ারিশপুর ও একলাশপুর লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বিকালে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, জেলায় করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। ফলে চলমান লকডাউনের সময়সীমা সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে চৌমুহনী পৌরসভাসহ দুইটি ইউনিয়নকে এর আওতায় আনা হয়েছে। আগামী ২ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত এ লকডাউন কার্যকর থাকবে।

গত ৪৮ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলার শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামের ১২০ শয্যার কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনসহ মোট ৯ জন মারা যান।

কোভিড হাসপাতালের সমন্বয়ক ডা. নিরুপম দাশ বলেন, যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পাঁচজন করোনায় আক্রান্ত এবং চারজন করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। হাসপাতালে যে সব রোগী ভর্তি জন্য আছেন তাদের বেশির ভাগেরই অবস্থা সংকটাপন্ন। অক্সিজেনের মাত্রাও অনেক কম থাকছে। এ হাসপাতালে ৫৮ জন রোগী ভর্তি আছেন, তাদের অর্ধের অবস্থা আশংকাজনক।

রাজশাহীতে লকডাউন বাড়ছে

নোয়াখালী ছাড়াও ফেনী, লক্ষীপুর ও চাঁদপুর জেলার রোগীদের চাপ বাড়ছে। এদিকে জেলার সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার জানান গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১১৬ জন। তার মধ্যে সব চেয়ে বেশি জেলা সদরে ৫২ জন ও বেগমগঞ্জে ২৫ জন। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ। এর আগের ৪৮ ঘণ্টায় ২৩৩ জনের মধ্যে সদরে ১০৫ জন ও বেগমগঞ্জে ৪৭জন।

গত ৫ জুন থেকে ৭ দিন করে গত ২১ দিন লকডাউন চলমান ছিল।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x