দেশে পৌঁছেছে ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা

দেশে পৌঁছেছে ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা
[ছবি: সংগৃহীত]

কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফাইজার বায়োএনটেকের আরও ২৫ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টায় মালদ্বীপিয়ান এয়ারে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এসে পৌঁছায়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, ফাইজারের তৈরি এই টিকাগুলো বাংলাদেশকে টিকাগ্রহণের উপযুক্ততার আওতা সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখে যুবসমাজসহ আরও বেশি মানুষকে টিকা প্রদানে সহায়তা করবে। যত বেশি সম্ভব মানুষের বাহুতে টিকা প্রদানের এই প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব স্থাপন করতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র গর্বিত।

ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস জানায়, ২০২২ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে বিনামূল্যে ফাইজারের তৈরি ১ বিলিয়ন ডোজ টিকা অনুদানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মোকাবেলায় নেতৃত্বদানে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ফাইজারের তৈরি এই টিকার চালান এসেছে। এটি এযাবৎ একক কোন দেশ কর্তৃক কোভিড টিকা ক্রয় ও অনুদানের সর্ববৃহৎ চালান। কোভ্যাক্সের বিশ্বব্যাপী কার্যক্রমে সহায়তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ৪ বিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছে যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণের ন্যায়সঙ্গত সুযোগ সৃষ্টিতে বিশ্বের বৃহত্তম দাতাদেশে পরিণত হয়েছে।

৪ কোটি টিকা দান সম্পন্ন, ফাইজারের ২৫ লাখ টিকা আসছে আজ

টিকা অনুদানের বাইরে জাতীয় পর্যায়ে কোভিড-১৯’র টিকা প্রদান কার্যক্রম এবং মহামারী মোকাবেলায় সরকারের নেয়া কার্যক্রম শক্তিশালীকরণে সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে নিবিড় ও অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ ও দক্ষভাবে টিকা প্রদান ও বাংলাদেশীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্র ৬,০০০’রও বেশি সেবাদানকারী ও স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

ইউএসএআইডি, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট ও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন থেকে কোভিড সংক্রান্ত উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা হিসেবে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ৯ কোটি ৬০ লক্ষ ডলারেরও বেশি অনুদান প্রদান করেছে। এই সহায়তার আওতায় মানুষের জীবন বাঁচানো এবং কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসা প্রদান সহজ হয়েছে, রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষার সক্ষমতা ও পরিবীক্ষণ জোরদার হয়েছে, আক্রান্তের ব্যবস্থাপনা এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ চর্চা জোরদার হয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ও দ্রব্যসামগ্রী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উন্নত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আওতায় সম্মুখ-সারির কর্মীদের সুরক্ষা এবং কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার উপায়সহ এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রতিও জোর দেওয়া হয়েছে।

এর আগে কোভ্যাক্স সুবিধার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে প্রথম দফায় ১ লাখ ৬২০ ডোজ এবং দ্বিতীয় দফায় ১০ লাখ ৩ হাজার ৮৬০ ডোজ টিকা দেশে এসেছে।

ইত্তেফাক/এমআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x