ঢাকা সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
২৬ °সে


জামায়াত নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ

জামায়াত নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ
ফাইল ছবি

জামায়াতের নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চেয়ে চার ব্যক্তির আবেদন তিনদিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে ইসিকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জামায়াতের ২৫ নেতার নির্বাচনে অংশগ্রহণের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার ইসির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এই মর্মে রুল জারি করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে জামায়াতে ইসলামীর ২৫ নেতার একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়। রিটে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ২২ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তিনজন প্রার্থী নির্বাচনে যে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন তাদের অংশগ্রহণের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন জানানো হয়। পরে গতকাল সোমবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এ আবেদনের উপর প্রাথমিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, মো. আলী হোসেন, মো. এমদাদুল হক ও হুমায়ুন কবির হাইকোর্টে এ আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়।

জামায়াতের যেসব নেতারা ধানের শীষে মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন, ঢাকা-১৫ আসনে ডা. শফিকুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে রফিকুল ইসলাম খান, খুলনা-৬ আসনে আবুল কালাম আজাদ, কুমিল্লা-১১ আসনে সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, খুলনা-৫ আসনে মিয়া গোলাম পারোয়ার, কক্সাবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আযাদ, পাবনা-৩ আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৫ আসনে ইকবাল হোসাইন, যশোর-২ আসনে আবু সাঈদ মো. শাহাদাত হোসাইন, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আবদুল হাকিম, দিনাজপুর-১ আসনে আবু হানিফ, দিনাজপুর-৬ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ আসনে আজিজুল ইসলাম, গাইবান্ধা-১ আসনে মাজেদুর রহমান, সাতক্ষীরা-২ আসনে মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৪ আসনে গাজী নজরুল ইসলাম, পিরোজপুর-১ আসনে শামীম সাঈদী, নীলফামারী-২ আসনে মো. মনিরুজ্জামান, ঝিনাইদহ-৩ মতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ আসনে ওয়াদুল শেখ, বাগেরহাট-৪ আসনে আব্দুল আলীম ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনে শামসুল ইসলাম।

ধানের শীষ মনোনয়ন পাওয়া এসব জামায়াত নেতাদের মধ্যে কারো কারো বিরুদ্ধে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী, জঙ্গিবাদে মদদদাতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

ইত্তেফাক/এএম

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ মে, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন