ঢাকা শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২০, ২১ চৈত্র ১৪২৬
২৫ °সে

সালমান শাহর মৃত্যু তদন্ত: পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে বিচারকের স্বাক্ষর

সালমান শাহর মৃত্যু তদন্ত: পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে বিচারকের স্বাক্ষর
চিত্রনায়ক সালমান শাহ। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেছেন বিচারক। চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৩০ মার্চ পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার সকালে সংশ্লিষ্ট জিআর শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চিত্রনায়ক সালমান শাহ মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমান 'দেখিলাম' বলে স্বাক্ষর করেছেন। ৩০ মার্চ মামলাটির পরবর্তী তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। সেদিন পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণের বিষয়ে আদেশ দেওয়া হবে।

এর আগে, মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের ৬০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি আদালতে জমা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন তুলে ধরেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার।

পিবিআইয়ের এই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডের শিকার হননি, তিনি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছিলেন। তদন্তে উঠে আসা তার আত্মহত্যার পাঁচটি কারণও উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। সেগুলো হলো- চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সালমানের অতিরিক্ত অন্তরঙ্গতা, স্ত্রী সামিরার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ, মাত্রাধিক আবেগপ্রবণতার কারণে একাধিকবার আত্মঘাতী বা আত্মহত্যার চেষ্টা, মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা জটিল সম্পর্কের বেড়াজালে পড়ে পুঞ্জীভূত অভিমানে রূপ নেয়া এবং সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা।

পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, পিবিআই’র তদন্তে ঘটনার সময় উপস্থিত ও ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৪৪ জনের জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় এবং ১০ জনের সাক্ষ্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি ঘটনা সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়। এসব বিষয় পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, চিত্রনায়ক সালমান শাহ পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন। হত্যার অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার (ইমন) ওরফে সালমান শাহ। ওই ঘটনায় তখন অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেন তার বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী (প্রয়াত)। পরে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে মামলাটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করার আবেদন জানান তিনি। অপমৃত্যুর মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি একসঙ্গে তদন্ত করতে অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন আদালত।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
০৪ এপ্রিল, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন