বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২০, ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭
৩১ °সে

ফারমার্স ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ: বাবুল চিশতীর সঙ্গে সাহেদও আসামি 

বাবুল চিশতীর সঙ্গে সাহেদও আসামি 
আদালতে নেওয়ার সময় সাহেদ। ছবি: ইত্তেফাক

দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড অর্থ আত্মসাতেও সাহেদের নাম জড়িয়েছে। ফলে মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীর সঙ্গে তাকেও আসামি করা হয়েছে।

কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী, বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুল হক চিশতি, রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ এবং হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ইব্রাহিম খলিল।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি সময়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঋণের নামে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখার এক কোটি টাকা (যা সুদ আসলসহ ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্থিতি দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাৎ করেন।

এদিকে প্রতারক সাহেদ রিমান্ড শুনানির সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিচারকের সামনে বলেন, ‘স্যার, আমি অন্যায় করেছি। আমি অপরাধী। এ পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা আমি স্বীকার করছি। আর যারা আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে, সেই সব পাওনাদারের সব টাকা ব্যবসা চালু হলে আস্তে আস্তে পরিশোধ করব। গত ১২-১৩ দিন ধরে আমি খুব খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছি। রিমান্ডে গেলে আমি আর কুলাতে পারব না। অনেক প্রেশারের মধ্যে রয়েছি। আমি সবার টাকা ফিরত দিয়ে দেব। রিমান্ড শুনানি ঈদের পর হলে ভালো হয়। আমি এখন অসুস্থ।’

তাকে গতকাল অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার পৃথক চার মামলায় সাত দিন করে মোট ২৮ দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত