মাদক মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১২ জানুয়ারি

মাদক মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি ১২ জানুয়ারি
পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী [ছবি: সংগৃহীত]

রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার মাদক মামলায় যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর রহমান সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত অষ্টম মহানগর দায়রা জজ আমিরুল ইসলামের আদালতে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন পাপিয়ার আইনজীবী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী বছরের ১২ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেশত্যাগের প্রাক্কালে পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন, পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)। তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, নগদ ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬শ’ টাকার জাল মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ ইউএস ডলারসহ বিভিন্ন দেশের মুদ্রা আটক করা হয়।

গ্রেফতারের পর ওইদিন রাতেই পাপিয়ার নরসিংদীর বাসায় এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে হোটেল ওয়েস্টিনে তাদের নামে বুকিং করা বিলাসবহুল প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে অভিযান চালানো হয়। এছাড়া ফার্মগেট এলাকার ২৮ নম্বর ইন্দিরা রোডে রওশন’স ডমিনো রিলিভো নামক বিলাসবহুল ভবনে তাদের দুটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি পিস্তলের ম্যাগজিন, ২০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ ও নগদ ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা, পাঁচটি পাসপোর্ট, তিনটি চেক, বিদেশি মুদ্রা, বিভিন্ন ব্যাংকের ১০টি ভিসা ও এটিএম কার্ড উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র আইনে একটি, মাদক আইনে একটি ও বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা করা হয়।

১০ সেপ্টেম্বর শেরে বাংলা নগর থানার মাদক মামলায় পাপিয়া দম্পতির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, ১২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় ২০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া অস্ত্র আইনের আরেক ধারায় তাদের সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। দু’ধারার সাজা একই সঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

ইত্তেফাক/এমআর

Nogod
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত