‘আগে জীবন, পরে জীবিকা’

‘আগে জীবন, পরে জীবিকা’
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ফাইল ছবি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, জীবন ও জীবিকা দুই-ই গুরুত্বপূর্ণ। তবে করোনা মহামারীর এই দুঃসময়ে সবার আগে জীবন, পরে জীবিকা।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল হাইকোর্টের ভার্চুয়াল বেঞ্চের সংখ্যা বাড়ানোর অনুরোধ জানালে প্রধান বিচারপতি এ মন্তব্য করেন। এ সময় আপিল বিভাগের অপর পাঁচ বিচারপতি ভার্চুয়াল আপিল কোর্টে উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় আপিল বিভাগের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ভার্চুয়াল এই কোর্টে বিচারপতি ও আইনজীবীরা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিচার কাজে ও মামলা পরিচালনায় অংশ নেন।

দুপুর ১২টায় আদালতের কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রধান বিচারপতিকে বলেন, মাই লর্ড, বর্তমানে ৪টি ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ পরিচালিত হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আছে জামিন ও রিট সংক্রান্ত কেবল দুটি বেঞ্চ। রমজান চলছে, সামনে ঈদ। এই অবস্থায় আরও কিছু ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বাড়ালে আইনজীবীরা উপকৃত হতো।

প্রধান বিচারপতি বলেন, শুনেন, আমরাও বারের (আইনজীবী সমিতি) থেকে এসেছি। আমরাও আইনজীবীদের সমস্যাগুলো বুঝি। জীবন ও জীবিকা দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এক্ষেত্রে আগে জীবন, পরে জীবিকা। প্রধান বিচারপতি বলেন, সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় এখন মাত্র মাত্র ৪০ জন স্টাফ নিয়ে আপিল বিভাগ চলছে। হাইকোর্টের ৪টি ভার্চুয়াল বেঞ্চে অনেক স্টাফ লাগছে। এই অবস্থায় আবার দশটি হাইকোর্ট বেঞ্চ চালাতে গেলে অনেক স্টাফ লাগবে।

আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. ইমান আলী বলেন, ভার্চুয়াল কোর্টের সংখ্যা বাড়ালে স্টাফদেরকেও কোর্টে আসতে হবে। তখন সংক্রমণের একটা ঝুঁকি তৈরি হয়। আর কোর্ট স্টাফদের পরিবার রয়েছে। তাদের মাধ্যমে যদি পরিবারের কোনো সদস্য আক্রান্ত হয় তখন ভোগান্তির শেষ থাকবে না।

এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে ‘স্টে হোম, স্টে সেফ'। আমরা যেন এই বার্তা মেনে চলি।

ইত্তেফাক/ইউবি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x