নড়াইল দায়রা জজের বিচারিক ক্ষমতা খর্বের রায় বহাল

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০:১৬ | অনলাইন সংস্করণ

  ইত্তেফাক রিপোর্ট

হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদের বিচারিক ক্ষমতা খর্ব করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখা হয়েছে। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে ওই জজের করা আবেদনে সাড়া দেয়নি আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। 

হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে অভিযোগ গঠন থেকে অব্যাহতি দেওয়ায় নড়াইলের দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদের বিচারিক ক্ষমতা খর্ব করে রায় দেয় হাইকোর্ট। রায়ে জজ আহাদকে এক বছর ফৌজদারি মামলার বিচার কাজ পরিচালনা থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিটিতে (জিএ) কমিটিতে উপস্থাপন করতে আইন মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। একইসঙ্গে হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে দেয়া অব্যাহতির আদেশ বাতিল করে হাইকোর্ট। 

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ গত ২৯ আগস্ট এই রায় দেন। এই রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে ওই দায়রা জজ। 

আবেদনের পক্ষে আইনজীবী বিশ্বজিত রায় এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ সারওয়ার কাজল উপস্থিত ছিলেন। সোমবার শুনানি শেষে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে আবেদনটি শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।  

আরও পড়ুন: কিছু দানবরূপী চালকদের রুখতেই হবে: তথ্যমন্ত্রী 

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নড়াইলের কালিয়া থানার চন্ডিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পার্শ্বে রাস্তায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এনামুল শেখকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে মল্লিক মাঝহারুলসহ ৬৮ জনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই মো. নাজমুল হুদা। ২০১৭ সালের ৩০ জানুয়ারি ওই ৬৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এই মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে গত বছরের ২৯ নভেম্বর প্রধান আসামিকে জামিন দেন দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদ। গত ১১ জুন প্রধান আসামিকে অব্যাহিত দিয়ে বাকি ৬৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা করেন মামলার বাদী। পরে হাইকোর্ট ওই অব্যাহতির আদেশ কেন বাতিল করা হবে না এই মর্মে রুল জারি করে। পাশাপাশি বিচারকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। 

ইত্তেফাক/কেকে