একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ

খালেদা জিয়ার রিট হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চে

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

  ইত্তেফাক রিপোর্ট

খালেদা জিয়া (ফাইল ছবি)

একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহনের লক্ষ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার তিনটি রিট আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চে পাঠিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বিচারপতি জেবিএম হাসানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর বৃহস্পতিবার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার বিকালে প্রধান বিচারপতি শুনানির জন্য মামলার নথি ওই বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। 

বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার তিন রিট আবেদনের ওপর দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেন। পরে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ওইদিনই মামলার নথি প্রধান বিচারপতির দপ্তরে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু নথির সঙ্গে দ্বিধাবিভক্ত আদেশের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি না থাকায় তা পুনরায় হাইকোর্টের ওই বেঞ্চে পাঠানো হয়। বুধবার বিকালে পূর্ণাঙ্গ আদেশের অনুলিপিসহ মামলার নথি প্রধান বিচারপতির দপ্তরে আসে। এরপরই প্রধান বিচারপতি রিট আবেদনগুলো নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চ গঠন করে দেন। এখন এই বেঞ্চের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কিনা?

সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও ৭ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন নেন। রিটার্নিং অফিসার যাচাই-বাছাই শেষে তিনটি আসনে নেয়া তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। দণ্ডিত হওয়ার কারণে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। ইসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তিনটি রিট করেন তিনি। ওই রিটের শুনানি নিয়ে বুধবার বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ রিটার্নিং অফিসার ও ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগদানের নির্দেশ দেন। তবে কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এই আদেশের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে রিট আবেদনগুলো খারিজ করে দেন।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার নির্বাচনী প্রচারে সফরসঙ্গী রিয়াজ-ফেরদৌস
 
প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডিত হয়েছেন খালেদা জিয়া। অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্ট ৫ বছরের পরিবর্তে তাকে দশ বছর এবং নিন্ম আদালত চ্যারিটেবল মামলায় ৭ বছরের দণ্ড দেয়। এই দণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি সুপ্রিম কোর্টে আপিল দায়ের করেছেন। যদিও এ সব আপিল শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের কোন বেঞ্চে উত্থাপন করেনি তার আইনজীবীরা। 

ইত্তেফাক/এমআই