ঢাকা শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৪ °সে


‘আমি আবরারকে ডেকে আনি, মারিনি’

‘আমি আবরারকে ডেকে আনি, মারিনি’
আবরার। ছবি: সংগৃহীত

স্যার, আমি বড়ো ভাইদের কথায় আবরারকে তার রুম থেকে ডেকে আনি। পরে বড়োভাই অনিক, সকাল, মুজাহিদ, রবিন ও মনির রুমের মধ্যে আবরারকে দফায় দফায় মারে। এক সময় স্টাম্প দিয়ে আবরারকে প্রচণ্ড পেটাতে থাকে অনিক। তখন রুমে উপস্থিত অন্যরা ভয় পেয়ে যায়। এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আবরারকে পেটায় অনিক। তার মারের পরই আবরারের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। আবরার পানি খাইতে চাইলে পানি দেওয়া হয় নাই। আমরা ভাইদের বলেছিলাম হাসপাতালে নিয়ে যাইতে, ভাইরা নিতে দেয় নাই। আবরার বমি করে। আমি আবরারকে মারিনি। আমি রাত সাড়ে ১২টার দিকে রুম থেকে চলে আসি। এরপর কী হয়েছে তা আমি জানি না।

গতকাল রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে আসামি এ এস এম নাজমুস সাদাতের পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় বিচারক জানতে চায় তার কিছু বলার আছে কী না? এ সময় বিচারকের প্রশ্নের উত্তরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলার আসামি এ এস এম নাজমুস সাদাত এ সব কথা বলেন। পরে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়া আসমিকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। এরআগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. ওয়াহিদুজ্জামান আসামি সাদাতকে আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আবরার হত্যা মামলার ১৫ নম্বর আসামি সাদাত। তদন্ত, সাক্ষ্য প্রমাণে, ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় তার জড়িত থাকা সম্পর্কে যথেষ্ট সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ মামলায় আদালতে স্বীকারোক্তিকারীদের মধ্যে কয়েকজন জবানবন্দিতে আসামি সাদাতের জড়িত থাকার কথা বলেছেন।

বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সাদাত হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিল। সাদাতের বাবার নাম হাফিজুর রহমান। তাদের গ্রামের বাড়ি জয়পুরহাটের কালাই থানার কালাই উত্তর পাড়ায়। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন