বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭
৩০ °সে

আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের বার্ষিক প্রতিবেদন

সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমেছে

সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমেছে
সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমেছে। ফাইল ছবি

দেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমেছে ৩৮৬টি। তবে সন্দেহজনক লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে ১০০ কোটি টাকা। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের ঘটনা ১৬টি থেকে কমে ১০টিতে দাঁড়িয়েছে। মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে দেশের আর্থিক খাতের সক্ষমতা আরো বেড়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের (বিএফআইইউ) ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আর্থিক খাতে ৫ হাজার ৩৬টি সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে ১ হাজার ২২ কোটি টাকা সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এর আগের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫ হাজার ৪২২টি সন্দেহজনক লেনদেনের ঘটনা শনাক্ত হয়েছিল। এর মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছিল ৯২২ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমেছে ৩৮৬টি। তবে সন্দেহজনক লেনদেনের সংখ্যা কমলেও টাকার পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রতিরোধে বিএফআইইউ তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করেছে। ফলে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে আর্থিক খাতের সক্ষমতা বেড়েছে। এতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের ঘটনা কমে এসেছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছিল ১৬টি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা কমে ১০টিতে নেমে এসেছে। আলোচ্য সময়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন শনাক্ত হওয়ার ঘটনা কমেছে ৬টি।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিএফআইইউতে নিয়মিত সন্দেহজনক লেনদেন ও নগদ লেনদেনের তথ্য পাঠাতে হয়। সংশ্লি­ষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে কোনো লেনদেনকে সন্দেহজনক মনে হলে তা বিএফআইইউকে জানানো হয়। একই সঙ্গে সন্দেহজনক কার্যক্রম বা নগদ লেনদেনের তথ্যও জানাতে হয়। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া আছে কোনো সব লেনদেনকে সন্দেহজনক বা সন্দেহজনক কার্যকম হিসেবে শনাক্ত করতে হবে। গ্রাহকের লেনদেনের সীমার চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত বেশি লেনদেন হলে এবং গ্রাহক তার কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারলে তা সন্দেহজনক লেনদেন বলে গণ্য হবে। একই সঙ্গে গ্রাহকের কার্যক্রম নির্ধারিত ছকের বাইরে গেলে এর কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিতে পারলে তা সন্দেহজনক কার্যক্রম বলে গণ্য হবে। একসঙ্গে ১০ লাখ টাকার বেশি জমা দিলে বা তুলে নিলে তা নগদ লেনদেন হিসেবে বিএফআইইউকে জানাতে হবে।

ইত্তেফাক/এমএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত