বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২০, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭
৩০ °সে

ঈদে মার্সেল পণ্য কিনলেই থাকছে লাখপতি হওয়ার সুযোগ 

ঈদে মার্সেল পণ্য কিনলেই থাকছে লাখপতি হওয়ার সুযোগ 
মার্সেল ফ্রিজ। ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মার্সেল ব্রান্ডের বেশ কিছু নতুন মডেলের ফ্রিজসহ ৮০টির বেশি মডেলের ফ্রিজ বাজারে এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি ক্রেতারা মার্সেল ফ্রিজ কিনলেই থাকছে লাখপতি হওয়ার সুযোগ। এছাড়াও থাকছে নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার।

জানা গেছে, ঈদ বাজারে মার্সেল ছেড়েছে উচ্চ গুণগতমানের ৭০ মডেলের ফ্রস্ট ও ৪ মডেলের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর। আরো আছে ৭ মডেলের ডিপ ফ্রিজ। এর মধ্যে ঈদে বেশি বিক্রি হচ্ছে মার্সেলের আকর্ষণীয় ডিজাইনের সাইড বাই সাইড গ্লাস ডোর মডেলের নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর। এর এক পাশে নরমাল, আরেক পাশে বিশাল ডিপ। ফলে, গ্রাহকের আলাদা ডিপ ফ্রিজ কেনার প্রয়োজন পড়ছে না। এছাড়া ডিজাইনে রয়েছে আভিজাত্যের ছাপ। মানের দিক থেকে খুব উন্নত এবং দামে সাশ্রয়ী। তাই এই ঈদে ক্রেতাদের কাছে ‘হটকেকে’

পরিণত হয়েছে মার্সেলের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর।

পাশাপাশি ব্যাপক গ্রাহক প্রিয়তা পাচ্ছে মার্সেলের দৃষ্টিনন্দন গ্লাস ডোর মডেলের ফ্রস্ট ফ্রিজ। এর মধ্যে বিশেষ ডিজাইনে তৈরি মার্সেলের ১৬৩, ২১৩ ও ২৩৮ লিটার ধারণক্ষমতার ফ্রিজ ভালো বিক্রি হচ্ছে। মার্সেল ফ্রিজে ব্যবহৃত ‘ন্যানো হেলথ কেয়ার টেকনোলজী’ খাবারকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে রাখে সতেজ ও জীবাণুমুক্ত।

এদিকে ক্রেতাদের ‘ঈদের খুশি জমবে বেশি, মার্সেল ফ্রিজ, টিভি ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন কিনে লাখপতি’ শীর্ষক সুবিধা দিচ্ছে মার্সেল। ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৭ এর আওতায় দেশের যেকোনো শোরুম থেকে মার্সেল ফ্রিজে কিনে একজন ক্রেতা পেতে পারেন এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার। এছাড়া সকল ক্রেতাদের জন্য রয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। গত ৮ জুন থেকে শুরু হওয়া এ সুযোগ থাকবে কোরবানি ঈদ পর্যন্ত। মার্সেলের ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর নাসিমা আক্তার নীলা জানান, ঈদে ইতোমধ্যে মার্সেল ফ্রিজ কিনে লাখপতি হয়েছেন বেশ কয়েকজন ক্রেতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন: কিশোরগঞ্জে কৃষক সোলতান উদ্দিন, ময়মনসিংহে গৃহিণী সুফিয়া খাতুন, নারায়নগঞ্জে ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন, চাঁদপুর উত্তর মতলবে মো. ইলিয়াছ বকাউল ও শরীয়তপুরে কৃষক ইব্রাহিম মাদবর। সব ক্রেতাই পেয়েছেন বিভিন্ন অঙ্কের ক্যাশ ভাউচার।

মার্সেলের নির্বাহী পরিচালক ও হেড অব সেলস ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, কোরবানি ঈদের আগে দেশে ফ্রিজের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই এই সময়কে বলা হয় ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম। আর এই সময়ে ফ্রিজ বিক্রিতে প্রতিবছরই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে মার্সেল। এবার করোনা দুযোর্গের মধ্যেও মার্সেল ফ্রিজ বিক্রির সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত