বেসরকারিভাবে ৩ লাখ ৩০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি

বেসরকারিভাবে ৩ লাখ ৩০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি
ফাইল ছবি

বেসরকারিভাবে ৩ লাখ ৩০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। মোট ২৯টি প্রতিষ্ঠান এ চাল আমদানি করবে। এরমধ্যে ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে মঙ্গলবার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত একটি চিঠি খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা দানাবিশিষ্ট বাসমতি নয় এমন সিদ্ধ চাল, শর্তসাপেক্ষে আমদানি করা যাবে।

চাল আমদানির শর্তে বলা হয়েছে, এই বরাদ্দপত্র ইস্যুর সাতদিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে যারা পাঁচ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছেন, তাদের এলসি খোলার ১০ দিনের মধ্যে ৫০ শতাংশ চাল এবং ২০ দিনের মধ্যে পুরোটাই স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করতে হবে। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান ১০ থেকে ৫০ হাজার টন বরাদ্দ পেয়েছে তাদের এলসি খোলার ১৫ দিনের মধ্যে অর্ধেক এবং ৩০ দিনের মধ্যে সব চাল বাজারজাত করতে হবে।

আরো পড়ুন : মওদুদ আহমদের শারীরিক অবস্থার অবনতি

উল্লেখ্য, আমনের এই ভরা মৌসুমেও লাগামহীনভাবে বাড়ছে চালের দাম। করোনা সংকট ও বন্যার কারণে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রচুর পরিমাণে চাল বিতরণ করায় সরকারের মজুত গত বছরের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বর্তমানে সরকারের গুদামে ৭ দশমিক ৮৮ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে চাল ৫ দশমিক ৫৬ লাখ টন ও গম ২ দশমিক ৩৩ লাখ টন। অথচ মাত্র এক মাস আগে গত ৫ নভেম্বর খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ১০ লাখ ৩ হাজার ২০ টন। আর গত বছর এই সময়ে সরকারের গুদামে খাদ্যশস্যের মোট মজুত ছিল ১৫ লাখ ৯৬ হাজার ৮৪০ টন। এর মধ্যে চাল ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩০ টন এবং গম ৩ লাখ ৫৮ হাজার ১১০ টন। এই হিসাবে গত প্রায় এক বছরের ব্যবধানে সরকারের গুদামে খাদ্যশস্যের মজুত কমেছে ৮ লাখ ৮ হাজার ৮৪০ টন।

এসব কারণে সরকারি ও বেসরকারিভাবে চাল আমদানিতে জোর দিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির শুল্ক কমিয়েছে সরকার। চালের আমদানি শুল্ক ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/ইউবি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x