ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬
৩২ °সে


৩০০ শীর্ষ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ

৩০০ শীর্ষ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ
ফাইল ছবি

দেশের শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংসদে প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। একইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ব্যাংক ও লিজিং কোম্পানির কাছ থেকে ৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছেন, এমন ১৪ হাজার ৬১৭ জনের পূর্ণাঙ্গ তথ্যও প্রকাশ করেছেন তিনি। গতকাল শনিবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তালিকা দেন। অর্থমন্ত্রী দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ জনের কাছে পাওনা ১ লাখ ২ হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। অর্থাত্ ২০১৮ সালে ঋণ খেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন এবং অর্থের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এদের মধ্যে শীর্ষ ৩০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে ৭০ হাজার ৫৭১ কোটি। খেলাপি রয়েছে ৫০ হাজার ৯৪২ কোটি টাকা। শ্রেণিকৃত ঋণ ৫২ হাজার ৮৩৭ কোটি টাকা।

শীর্ষ ১০ ঋণ খেলাপি

শীর্ষ ১০ ঋণ খেলাপির মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রামের সামানাজ সুপার অয়েল (১ হাজার ৪৯ কোটি টাকা), গাজীপুরের গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডায়িং (৯৮৪ কোটি), ঢাকা সাভারের রিমেক্স ফুটওয়্যার (৯৭৬ কোটি), ঢাকার কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম (৮২৮ কোটি), চট্টগ্রামের মাহিন এন্টারপ্রাইজ (৮২৫ কোটি), ঢাকার রূপালী কম্পোজিট (৭৯৮ কোটি), ঢাকার ক্রিসেন্ট লেদার ওয়্যার (৭৭৬ কোটি), চট্টগ্রামের এস এ অয়েল রিফাইনারি (৭০৭ কোটি), গাজীপুরের সুপ্রভ কম্পোজিট নিট (৬১০ কোটি), গ্রামীণ শক্তি (৬০১ কোটি)।

২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫ কোটি টাকার বেশি ঋণ নেওয়া ১৪ হাজার ৬১৭ জনের বড় একটি অংশ ঋণ খেলাপি, যাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১৮৩ কোটি টাকা। আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৯ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এসময়ে ঋণ খেলাপির সংখ্যা বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন।

সংসদ সদস্য লুত্ফুন নেসা খান তার প্রশ্নে ২০০৯ সালে ঋণ খেলাপি কত ছিল ও তাদের কাছে প্রাপ্ত ঋণের পরিমাণ এবং ২০১৮ সালে ওই সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণও জানতে চেয়েছিলেন। তবে অর্থমন্ত্রীর উত্তরে বলা হয়, ডাটা ওয্যারহাউজ না থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি ডাটাবেইজে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের আগের তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ২০০৯ সালের ঋণের তথ্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ফলে লুত্ফুন নেসার প্রশ্নের জবাবে ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ঋণ খেলাপি ও তাদের ঋণের পরিমাণ সংসদকে জানান মুস্তফা কামাল। এ প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে ঋণ খেলাপির সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১১ হাজার ৯৫৪ জন এবং তাদের কাছে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপির সংখ্যা ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ এবং অর্থের পরিমাণ ১ লাখ ২ হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

শীর্ষ অবশিষ্ট ২৯০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেড ৫৮২ কোটি টাকা, কম্পিউটাির সোর্স লিমিটেড ৫৭৫ কোটি টাকা, সিমরান কম্পোজিট লিমিটেড ৫৬৪ কোটি টাকা, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস ৫২৬ কোটি টাকা, বেনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫২৩ কোটি টাকা, আলফা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেড ৫২৩ কোটি টাকা, সিদ্দিক ট্রেডার্স ৫১১ কোটি টাকা, রুবাইয়া ভেজিটেবল ওয়েলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫০১ কোটি টাকা, রাইজিং স্টিল লি. ৪৯৫ কোটি টাকা।

সুপ্রভ রোটোর স্পিনিং লি. ৪৬৫ কোটি, ইয়াছির এন্টারপ্রাইজ ৪৬৪ কোটি, চৌধুরী নিটওয়্যার লি. ৪৬২ কোটি, রানকা সোয়েল কম্পোজিট টেক্সটাইল লি. ৪৪৯ কোটি, লেক্সকো লি. ৪৩৯ কোটি, জাকুয়ার্ড নিটেক্স লি. ৪৩০ কোটি, ইব্রাহিম টেক্সটাইল মিলস লি. ৩৭৩ কোটি, ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল ৩৭২ কোটি, বাংলা লায়ন কমিউনিকেশন্স লি. ৩৭১ কোটি, বাংলাদেশ সুগাার এন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ ৩৫২ কোটি, হলমার্ক ফ্যাশন লি. ৩৪১ কোটি, পদ্মা পলি কটন নীট ফেব্রিক্স লি. ৩৩১ কোটি, গ্রান্ড ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ লি. ৩২৪ কোটি, ফেয়ার ট্রেড ফেব্রিক্স লি. ৩২২ কোটি, গ্রামবাংলা এনপিকে ফার্টিলাইজার এন্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ৩১৮ কোটি, সাহারীজ কম্পোজিট টাওয়াল লি. ৩১৪ কোটি, ৭বি অ্যাসোসিয়েটস ৩০৯ কোটি, রুরালস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন ৩০৬ কোটি, সুরুজ মিয়া জুট স্পিনিং লি. ৩০৪ কোটি, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেড ২৯৬ কোটি, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল ২৮৬ কোটি, রূপায়ন হাউজিং স্টেট লিমিটেড ২৮০ কোটি, এসকে স্টিল ২৭১ কোটি টাকা, মাবিয়া শিপ ব্রেকার্স ২৭১ কোটি, মুন্নু ফেব্রিক্স লিমিটেড ২৬৭ কোটি, হেল্প লাইন রিসোর্স লি. ২৫৮ কোটি টাকা, দি ঢাকা ডাইং এন্ড মেনুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, বিসমিল্লাহ টাওয়াল লি. ২৪৪ কোটি, রানকা ডেনিম টেক্সটাইলস মিলস ২২২ কোটি, তানিয়া এন্টারপ্রাইজ ২১২ কোটি, এইচ স্টিল রি রোলিং মিলস ২০৯ কোটি এবং কে আর স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড রিসার্স সেন্টার ২০৪ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি।

অর্থমন্ত্রীর প্রকাশ করা তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ২০১ কোটি, চিটাগাং সিন্ডিকেট ১৯৮ কোটি, টি এন্ড ব্রাদার্স নীট কম্পোজিট লি. ১৯৭ কোটি, গ্লোব এডিবল ওয়েল লিমিটেড ১৯৭ কোটি, এমএইচ গোল্ডেন জুটস মিলস লি. ১৯৪ কোটি, নর্থস এগ্রো লিমিটেড ১৯৪ কোটি, সিম্যাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং লি. ১৯৩ কোটি, ইব্রাহিম কনসোডিয়াম লি. ১৯২ কোটি, লামিসা স্পিনিং লি. ১৯১ কোটি, অ্যাপেল সিরামিকস প্রাইভেট লি. ১৮৯ কোটি, আর আই এন্টারপ্রাইজ ১৮৯ কোটি, এমকে শিপ বিল্ডার্স এন্ড স্টিলস লি. ১৮৫ কোটি, মাহমুদ ফেব্রিক্স এন্ড ফিনিশিং লি. ১৮৪ কোটি, কটন করপোরেশন ১৮৪ কোটি, এম বি এ গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল লি. ১৮৩ কোটি, সিক্স সিজনস অ্যাপার্টমেন্ট লি. ১৮৩ কোটি, ন্যাশনালস স্টিল ১৮৩ কোটি, ক্যাপিটাল বোর্ড লি. ১৮২ কোটি, ইউনাইটেড এয়ারওয়েস বিডি লি. ১৮০ কোটি, করলা কর্পোরেশন বিডি লি. ১৭৮ কোটি, এক্সপার টেক লি. ১৭৬ কোটি, ব্লু ইন্টারন্যাশনাল ১৭৫ কোটি, সাফারি ট্রেডার্স ১৭৪ কোটি, আমাদের বাড়ি লি. ১৭৩ কোটি, ওয়ালম্যাট ফ্যাশন লিমিটেড ১৭০ কোটি, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লি. ১৬৮ কোটি, শব মেহের স্পিনিং মিলস লি. ১৬৮ কোটি, সুপ্রভ মেলেং স্পিনিং মিলস ১৬৭ কোটি, হিমালয়া পেপার্সি এন্ড বোর্ড মিলস ১৬৬ কোটি, লিবার্টি ফ্যাশনস ওয়্যার ১৬৪ কোটি, ক্রিসেন্ট ট্যানারিস লি. ১৬৩ কোটি, চৌধুরী টাওয়াল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লি. ১৬৩ কোটি, চৌধুরী লেদার এন্ড কোম্পানি ১৬২ কোটি, ইসলাম ট্রেডিং কনসোডিয়াম লি. ১৫৬ কোটি, অ্যাপেক্স নীট কম্পোজিট লি. ১৫৬ কোটি, আব্দুল্লাহ স্পিনিং মিলস ১৫৫ কোটি, আনোয়ারা মান্নান টেক্সটাইল ১৫৩ কোটি, সাগির এন্ড ব্রাদার্স ১৫৩ কোটি, মাস্টার্ড ট্রেডিং ১৫২ কোটি, ইসলাম ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানী ১৫২ কোটি, হিন্দুল ওয়ালি টেক্সটাইল লি. ১৫২ কোটি, এরিয়ান কেমিক্যালস ১৫১ কোটি, ওয়ার্ন ডেনিম মিলস লি. ১৫১ কোটি, মুহিব স্পিনিং এন্ড শিপ রিসাইকেলিং ১৫০ কোটি, গ্লোব মেটাল কমপ্লেক্স লি. ১৫০ কোটি, এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশন ১৪৯ কোটি, জালাল এন্ড সন্স ১৪৯ কোটি, বিশ্বাস গার্মেন্টস লি. ১৪৯ কোটি, সাইদ ফুড লি. ১৪৫ কোটি, এইচআরসি শিপিং লি. ১৪৪ কোটি, আলী পেপার্স মিলস লি. ১৪৩ কোটি, রহমান শিপ ব্রেকার্স লিমিটেড ১৪২ কোটি, ড্রেজ বাংলা (প্রা.) লিমিটেড ১৪২ কোটি, ফারইস্ট স্টোক এন্ড ব্রন্ডস লিমিটেড ১৩৯ কোটি, ফিবার সাইন লিমিটেড ১৩৮ কোটি, অর্নেট সার্ভিস লিমিটেড ১৩৭ কোটি, মুজিবুর রহমান খান ১৩৬ কোটি, জাহিদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ১৩৪ কোটি, তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ ১৩৩ কোটি, এপেক্স ওয়েবিংস এন্ড ফিনিসিং লিমিটেড ১৩০ কোটি, মিশন ডেভেলপার লিমিটেড ১৩০ কোটি, তালুকদার ইউপিবিসি ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১৩০ কোটি, এনোন নিট টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, দি ওয়েল টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, ডেলটা সিস্টেমস লিমিটেড ১২৮ কোটি, এফ আর জুট ট্রেডিং ১২৮ কোটি, গ্রেট নিট টেক্স লিমিটেড ১২৮ কোটি, জেওয়াইবি ট্রেড লিমিটেড ১২৮ কোটি, জারা নিট টেক্স লিমিটেড ১২৭ কোটি, সোনালী জুট মিলস ১২৭ কোটি, সামানাজ কন্ডেস মিল্ক ১২৭ কোটি, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ১২৬ কোটি, রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ১২৬ কোটি, স্ট্রিগার কম্পোজিট লিমিটেড ১২৫ কোটি, শফিকুল স্টীল ১২২ কোটি, স্টাইলো ফ্যাশন গার্মেন্টস লিমিটেড ১২১ কোটি, রাজশাহী সুগার মিলস লিমিটেড ১২১ কোটি, ইমারালড অয়েল লিমিটেড ১২১ কোটি, লাকি শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ১২০ কোটি, মিম এন্টারপ্রাইজ ১২০ কোটি, আল আমীন বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১২০ কোটি, এফ কে নিট টেক্স লিমিটেড ১১৯ কোটি, ম্যাপ পেপার বোর্ড মিলস লিমিটেড ১১৯ কোটি, অটোবি লিমিটেড ১১৮ কোটি, হিলফুল ফজল সমাজ কল্যাণ সংস্থা ১১৮ কোটি, এ কে জুট ট্রেডিং কোম্পানি ১১৭ কোটি, মনোয়ারা ট্রেডিং ১১৭ কোটি, চিটাগাং ইস্পাত ১১৭ কোটি, টেকনো ড্রেসিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ১১৬ কোটি, আলভি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৬ কোটি, এফ আর জুট মিলস লিমিটেড ১১৪ কোটি, টেক্সটাইল ভীরটুসো ১১৪ কোটি, ম্যাক্স শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ১১৪ কোটি, ওয়েস্টার্ণ হাউজিং লিমিটেড ১১৩ কোটি, এমবিইসি-পিবিএল-জেভি ১১৩ কোটি, সিমি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৩ কোটি, এলাইন এপারেলস লিমিটেড ১১৩ কোটি, সাইনিং নিট টেক্স লিমিটেড ১১২ কোটি, প্রফিউশনস টেক্সটাইল লি. ১১২ কোটি, সাউথ ইস্টার্ণ ১১১ কোটি, মা টেক্স ১১১ কোটি, সিদ্দিক এন্ড কোম্পানি লি. ১১০ কোটি, কনফিডেন্স সুজ লি. ১০৮ কোটি, আহমেদ মুজতবা লি. ১০৮ কোটি, শাপলা ফ্লাওয়ার মিলস ১০৮ কোটি, আব্দুর রাজ্জাক লি. ১০৭ কোটি, হাবিব স্টীলস লি. ১০৬ কোটি সর্দার অ্যাপারেলস লি. ১০৬ কোটি, ক্রিয়েটিভ ট্রেডস ১০৬ কোটি, ক্রিস্টাল স্টিল এন্ড শিপ ব্রেকিংস ১০৫ কোটি, সুপার সিক্স স্টার শিপ ব্রেকিং ই্য়ার্ড ১০৫ কোটি, জেড এন্ড জে ইন্টারন্যাশনাল ১০৫ কোটি, কক্স ডেভেলপার্স লি. ১০৫ কোটি, এস শিপিং লাইনস ১০৪ কোটি, জবা টেক্সটাইলস লি. ১০৩ কোটি, সেন্টার ফর অ্যাসিটেড রিপ্রোডাকশন প্রাইভেট লি. ১০৩ কোটি, বৈতরণী ট্রেডার্স লি. ১০৩ কোটি, শীতল এন্টারপ্রাইজ ১০২ কোটি, প্রাইস ক্লাব জেনারেল ট্রেডিং লি. ১০২ কোটি, নিউ অটো ডিফাইন ১০২ কোটি, অনিকা এন্টারপ্রাইজ ১০১ কোটি, এআরএসএস এন্টারপ্রাইজ ১০১ কোটি, গোল্ডেন হরিজন লি. ১০০ কোটি, জয়পুরহাট সুগার মিলস ১০০ কোটি, ডুসাই হোটেল এন্ড রিসোর্টস লি ১০০ কোটি, মোবারক আলী স্পিনিং মিলস লি. ৯৯ কোটি, কেয়া কসমেটিকস লি. ৯৯ কোটি, রেজা জুট ট্রেডিং ৯৯ কোটি, আর কে ফুডস লি. ৯৮ কোটি, ম্যামকো জুট মিল ৯৮ কোটি, আরডেন্ট সিস্টেমস ৯৮ কোটি, টেক্স নীট ইন্টারন্যাশনাল ৯৬ কোটি, বেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিজ বিডি লি. ৯৬ কোটি, ম্যাস শিপ রিসাইকেলিং ৯৬ কোটি, বাংলাদেশ ড্রেস লি. ৯৬ কোটি, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স প্রাইভেট লি. ৯৫ কোটি, জয়নব ট্রেডিং কোম্পানী লিমিটেড ৯৫ কোটি, ওয়েসিজ হাইটেক স্পোর্টস ওয়্যার ৯৪ কোটি, ক্রিউ অ্যান্ড কো বিডি. লি. ৯৪ কোটি, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৯৪ কোটি, এখলাস শিপিং মিলস লিমিটেড ৯৩ কোটি, ফাহামী নীট ওয়্যার লি. ৯২ কোটি, জে এন্ড জে ফেব্রিক্স টেক্সটাইল লি. ৯২ কোটি, আর বি এন্টারপ্রাইজ ৯২ কোটি, অনলাইন প্রপার্টিজ লি. ৯২ কোটি, ফাহমি ওয়াশিং প্লান্ট ৯০ কোটি, রামিসা ট্রেডিং ৮৯ কোটি, ল্যান্ডমার্ক ফেব্রিক্স লি. ৮৮ কোটি এবং এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮ কোটি টাকা খেলাপি।

এছাড়াও খেলাপির তালিকায় রয়েছে- এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮ কোটি, সাফিন শিপিং লাইন লিমিটেড ৮৮ কোটি, সুপ্রিম জুট এন্ড নিটেক্স লিমিটেড ৮৮ কোটি, ফরচুন স্টিল ৮৭ কোটি, মোস্তফা ওয়েল প্রেডাক্টস লিমিটেড ৮৬ কোটি, এম এস হাবিবুল ইসলাম ৮৬ কোটি, মাবিয়া স্টিল কমপ্লেক্স লিমিটেড ৮৬ কোটি, পদ্মা এগ্রো ট্রেডার্স ৮৬ কোটি, আমান ট্রেডিং করপোরেশন ৮৫ কোটি, পলিমার নিটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৮৫ কোটি, ইমারাল্ড অটো ব্রিকস লিমিটেড ৮৫ কোটি, মেজেস্টিক হোল্ডিং লিমিটেড ৮৫ কোটি, ওয়াফা এন্টারপ্রাইজ ৮৪ কোটি, দেশবন্ধু সুগার মিল লিমিটেড ৮৪ কোটি, মনিকা ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল ৮৩ কোটি, এস এ ট্রেডার্স ৮৩ কোটি, দ্য এরিস্টোক্রেট এগ্রো লিমিটেড ৮৩ কোটি, ইউরোপা বেভারেজ এন্ড ফুডস লিমিটেড ৮৩ কোটি, ফ্যাশন ক্রাফট নিটওয়ার লিমিটেড ৮৩ কোটি, এটলাস গ্রিনপেক লিমিটেড ৮৩ কোটি, ইমারাল্ড স্পেশালাইজড কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড ৮৩ কোটি, শাহনেওয়াজ জুট মিলস প্রাইভেট লিমিটেড ৮২ কোটি, মার লিমিটেড ৮২ কোটি, ড্রেস মি ফ্যাশনস লিমিটেড ৮২ কোটি, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স মেনুপেকচারিং প্ল্যান লিমিটেড ৮১ কোটি, শাহিল ফ্যাশনস লিমিটেড ৮১ কোটি, ফস্টার রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ৮১ কোটি, ইমাম ট্রেডার্স ৮১ কোটি, স্মাহ লিমিটেড ৮০ কোটি, গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেড ৮০ কোটি, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৮০ কোটি, এম নূর সুয়েটার্স লিমিটেড ৭৯ কোটি, খানসন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৯ কোটি, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ৭৯ কোটি, এন এইচ কে ফেব্রিক্স এন্ড টেক্সটাইল ৭৮ কোটি, গ্রান্ডেউর শিপিং লাইন্স লিমিটেড ৭৮ কোটি, এস রিসোর্সেস শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৮ কোটি, নর্থপোল বিডি লিমিটেড ৭৮ কোটি, এডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড ৭৮ কোটি, ইউরেকা হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড ৭৮ কোটি, এসএফজি শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৭ কোটি, সোলারেন ফাউন্ডেশন ৭৭ কোটি, এটলাস ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেড ৭৭ কোটি, এমএএফ নিউজপ্রিন্ট ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭ কোটি, ফাস্ট ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭ কোটি, ইনফরমেশন সলিউশনস লিমিটেড ৭৭ কোটি, বিশ্বাস টেক্সটাইল লিমিটেড ৭৬ কোটি, গ্লোব ইনসেক্টিড ৭৬ কোটি, এশিয়ান ফুড ট্রেডিং এন্ড কোং ৭৬ কোটি, সারিয়াজ ওয়েল রিফাইনার লিমিটেড ৭৬ কোটি, উয়াশান নিট বাংলাদেশ ৭৬ কোটি, ব্রদার্স এন্টারপ্রাইজ ৭৬ কোটি, নাবিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৬ কোটি, ঢাকা ডেনিম লিমিটেড ৭৫ কোটি, এম আর শিপিং লাইন ৭৫ কোটি, এমএমএসবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৫ কোটি, বাইল্ডট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ৭৫ কোটি, কবির এন্টারপ্রাইজ ৭৫ কোটি, দেশ জুয়েলার্স ৭৪ কোটি, লোহজং ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪ কোটি, বাধন ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭৪ কোটি, ইনফ্রাস্টাকচার কন্সট্রাকশন কোম্পানি ৭৪ কোটি, প্রিটি সুয়েটার্স লিমিটেড ৭৪ কোটি, ওয়েলপেক পলিমারিস লিমিটেড ৭৪ কোটি, ঐশি ইন্টারন্যাশনাল ৭৪ কোটি, ফস্টার ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪ কোটি, সুরমা স্টিল এন্ড স্টিল ট্রেডিং কোং ৭৪ কোটি, ইব্রাহিম কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৪ কোটি, নর্থ সাউথ শিপিং মিলস লিমিটেড ৭৩ কোটি, ইউসান নিট কম্পোজিট লিমিটেড ৭৩ কোটি, এহসান স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড ৭৩ কোটি, ঢাকা এলমোনিয়াম ওয়ার্কস লিমিটেড ৭৩ কোটি, শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ ৭৩ কোটি এবং এম কে ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৭৩ কোটি টাকা খেলাপি।

অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামালের দেওয়া তালিকায় ঋণ খেলাপির তালিকায় আরও আছে- হলমার্ক শিপিং মিলস লিমিটেড ৭২ কোটি, এজাক্স জুট মিলস লিমিটেড ৭২ কোটি, শাহেদ শিপ ব্রেকিং ৭২ কোটি, রুম্মান এন্ড ব্রাদার্স ৭২ কোটি, রোসেবুর্গ রাইস মিলস লিমিটেড ৭১ কোটি, এএসটি বেভারেজ লিমিটেড ৭১ কোটি, মিনটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড ৭১ কোটি, রংপুর জুট মিলস ৭১ কোটি, রোসেবুর্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭১ কোটি, সিপিএম কম্পোজিট নিট প্রাইভেট লিমিটেড ৭০ কোটি, হানজাল টেক্সটাইলস পার্ক লিমিটেড ৭০ কোটি, ইস্টার্ন কর্পোরেশন ৭০ কোটি, ফিনকোলি অ্যাপারেলস লিমিটেড ৭০ কোটি, জয়েন্ট ট্রেডার্স ৭০ কোটি, ন্যাশনাল আয়রণ অ্যান্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯ কোটি, ইকো ব্রিক্স লিমিটেড ৬৯ কোটি, তালুকদার প্লাস্টিক কোম্পানি লিমিটেড ৬৯ কোটি, বিএনএস ইন্টারন্যাশনাল কোং ৬৯ কোটি, এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড ৬৯ কোটি, টেকো প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯ কোটি, ওশিয়ান শিপিং মিলস লিমিটেড ৬৯ কোটি, ক্লাসিক সাপ্লাইজ লিমিটেড ৬৯ কোটি, সৈয়দ ট্রেডার্স ৬৯ কোটি, ওয়েস্টারিয়া টেক্সটাইলস লিমিটেড ৬৯ কোটি, নোবেল কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৬৮ কোটি এবং আলী এন্টারপ্রাইজ ৬৮ কোটি টাকা।

৭টি ব্যাংকের ১ হাজার ১৯৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা সুদ মওকুফ

আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি হাজী মো. সেলিমের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদকে জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসমূহ সরকারি নির্দেশনার আলোকে তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করে ঋণের সুদ মওকুফ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত তথ্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ কর্তৃক ২০১৮ সালে অনুমোদিত মোট সুদ মওকুফের পরিমাণ ১ হাজার ১৯৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

অর্থমন্ত্রী জানান, বেসিক ব্যাংক ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, জনতা ব্যাংক ৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংক ১৩৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা, সোনালী ব্যাংক ৭৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, কৃষি ব্যাংক ৪৩৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা সুদ মওকুফ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ তাদের গ্রাহকের ৬ হাজার ১৬৩টি ঋণ হিসাবের বিপরীতে মোট ১ হাজার ১৯৮ কোটি ২৪ লাখ টাকার সুদ মওকুফ করেছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৫ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন