এবার সোহরাব, তবে প্রাণে বেঁচে গেছেন

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ১৭:২৮ | অনলাইন সংস্করণ

  রাবি সংবাদদাতা

রাবিতে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে সোহরাব নামে এক শিক্ষার্থীকে পেটায় দুই ছাত্রলীগ কর্মী। ইনসেটে গুরুতর আহত সোহরাব হোসেন। ছবি: ইত্তেফাক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সোহরাব মিয়া নামে এক শিক্ষার্থীকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে এ ঘটনা ঘটে। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সোহরাব হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও শামসুজ্জোহা হলের আবাসিক ছাত্র। অভিযুক্ত দুই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম আসিফ লাক ও হুমায়ুন কবির নাহিদ। তারা দুইজনই শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার অনুসারী। 

হল সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে আসিফ লাকের নেতৃত্বে কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী সোহরাবকে ল্যাপটপ চুরির অভিযোগে হলের তৃতীয় ব্লকের ২৫৪ নাম্বার কক্ষে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে সোহরাবকে রড দিয়ে পেটায় আসিফ লাক ও হুমায়ন কবির নাহিদ। মারধরের পর গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী  মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে সোহরাবের বন্ধুরা। 

বন্ধু তনয় জানিয়েছেন, আঘাতে সোহরাবের বাম হাতের কনুইয়ের ওপর ও নিচে দুই জায়গায় ভেঙে গেছে ও মাথায় মোট ১৫টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। 

আরও পড়ুন: রাত জেগে পেঁয়াজের ক্ষেত পাহারায় কৃষক

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়ে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা হলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো।

এদিকে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও স্থায়ীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার, প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ, ভিকটিমের চিকিৎসার সকল ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বহন করাসহ বিভিন্ন দাবিতে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। আজকের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আগামীকাল আবারও কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

ইত্তেফাক/এসি