ঢাকা শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৬ °সে

‘বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে নারীর কাজের মূল্যায়ন’

‘বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারে নারীর কাজের মূল্যায়ন’
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী ও অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
‘রাষ্ট্রীয়ভাবে, সমাজে ও পরিবারে নারীর গৃহস্থালির সেবামূলক কাজের মূল্যায়ন আজ সময়ের দাবি। ঘরের কাজের পাশাপাশি নারীর সকল আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক কাজের যথাযথ মূল্যায়নই একটি লিঙ্গ বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট পূরণেও কাজটি জরুরি।

প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও একশনএইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে হওয়া একটি প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা : প্রেক্ষাপট গৃহস্থালির সেবামূলক কাজ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ হয়। দুই দিনব্যাপী হয় এই প্রশিক্ষণ।

সমাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণমাধ্যম ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক শাহিন ইসলাম এনডিসি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একশনএইড বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম,পলিসি এন্ড ক্যাম্পেইন) আসগর আলী সাবরী। পিআইবি মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন।

শাহিন ইসলাম বলেন, ঘরের কাজগুলোও যে রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, এবং এই কাজে নারীরা যে ভূমিকা পালন করে আসছে, সেটার মূল্যায়ন ও সে বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যম ভূমিকা পালন করতে পারে। পত্রিকায় ফিচার, সংবাদ, কলাম প্রকাশের মধ্যে দেয় এ বিষয়টি আলোয় আনতে হবে।

সভাপ্রধানের বক্তব্যে জাফর ওয়াজেদ বলেন, নারীকে তার প্রাপ্য সম্মান দেওয়ার পাশাপাশি গৃহস্থালির কাজে তার শ্রম-ঘামের মূল্যায়ন করতে হবে। গণমাধ্যমকর্মীরা এ ব্যাপারে জনসচেতনতা তৈরি করতে কাজ করতে পারে। নারীকে পিছিয়ে রেখে একটি দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাই নারীর কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া আবশ্যক।

তিনি আরো বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে নারীকে তার শ্রমের প্রাপ্য সম্মান দিতে হবে। নারী-পুরুষ দুজনের হাত ধরেই সমাজ এগিয়ে চলে, প্রগতি এগিয়ে চলে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে একশন এইড বাংলাদেশের পরিচালক (প্রোগ্রাম,পলিসি এন্ড ক্যাম্পেইন) আসগর আলী সাবরী বলেন, নারীর একটা বড় অংশ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশ। এদের গৃহস্থালির কাজ একদমই স্বীকৃত না। এই পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোকে আলোয় আনতে হবে। তাদের জাগাতে হবে। আর এই কাজটি করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সাধারণ মানুষকে জানানো, গৃহস্থালি কাজের মূল্যায়ন যাতে ঘর থেকে শুরু হয়, সমাজ ও রাষ্ট্র যাতে এই কাজের যথাযথ মূল্যায়ন করে। সে ব্যাপারে নিয়মিত গণমাধ্যম সচেতনতামূলক বার্তা প্রকাশ করতে পারে।

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের মোট ৩৫ জন সাংবাদিক প্রশিক্ষণটিতে অংশ নিয়েছেন। কর্মশালার সার্বিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন পিআইবি’র অধ্যয়ন ও প্রশিক্ষণ বিভাগের সহকারী প্রশিক্ষক নাসিমূল আহসান।

ইত্তেফাক/জেডএইচ
এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন