পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থেকে অন্য কাজ বা ব্যবসায় নয়

স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য নেই এমন শিক্ষার্থীদের তালিকা চেয়েছে ইউজিসি
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থেকে অন্য কাজ বা ব্যবসায় নয়
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ভবন। ফাইল ছবি

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিতে কর্মরত থেকে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অন্য কোনো চাকরি বা ব্যবসায় না জড়ানোর জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করে উপাচার্যদের চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। রবিবার ইউজিসি থেকে এ চিঠি দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কমর্রত শিক্ষক-কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্তৃক স্বীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি/প্রবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ ও প্রতিপালন করা অবশ্য কর্তব্য। চাকরিবিধি/প্রবিধি অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে অন্য কোনো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যক্তিগতভাবে কোনো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা বা কোনো ধরনের লাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত থাকতে পারেন না।’

এতে আরো বলা হয়, ‘কিন্তু কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে কেউ কেউ চাকরিবিধি/প্রবিধি অমান্য করে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন, কেউ কেউ আবার ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন।’

এ ধরনের কাজ যে চাকরি বিধিমালার ‘সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’, তা মনে করিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিবিধি/প্রবিধি যথাযথ প্রয়োগ, অনুসরণ ও প্রতিপালন নিশ্চিত করতে উপাচার্যদের তাগিদ দেওয়া হয়েছে ইউজিসির চিঠিতে।

ইউজিসির আরেক চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেওয়া অর্থ যাতে অন্য খাতে ব্যয় করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে উপাচার্যদের অনুরোধ জানানো হয়। ইউজিসি বলছে, গবেষণা খাতের অর্থ গবেষণা কার্যক্রমে ব্যয় করার নিয়ম থাকলেও কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়মের ব্যত্যয় হচ্ছে।

স্মার্টফোন কেনার সামর্থ্য নেই এমন

শিক্ষার্থীদের তালিকা হচ্ছে

অনলাইনে ভার্চুয়াল ক্লাসে অংশ নিতে যেসব শিক্ষার্থীর ডিভাইস কেনার সক্ষমতা নেই, তাদের তালিকা পাঠাতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দিয়েছে ইউজিসি। আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে [email protected] এই ঠিকানায় শিক্ষার্থীদের তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে।

গতকাল ইউজিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা শিক্ষাজীবনে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার জন্য গত ২৫ জুন উপাচার্যদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভা করে ইউজিসি। উপাচার্যদের মতামতের ভিত্তিতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যাতে সকল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করতে পারে, সে লক্ষ্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধাসহ শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে ডেটা সরবরাহ এবং সফট লোনের আওতায় স্মার্টফোন সুবিধার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য কমিশন থেকে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত