পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল আসলে কার?

পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল আসলে কার?
পোগোজ স্কুলে নির্বাচনী পোস্টার। ছবি: ইত্তেফাক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ সেশন থেকে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটেরর অধীন পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ কাজ শুরু করে। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থেকেও পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুলে বিয়ে-গায়ে হলুদ থেকে শুরু করে জন্মদিন, গার্মেন্টস কল্যাণ সমিতির নির্বাচনও এই মাঠে হয়ে আসছে। এতে করে বিভিন্ন সময় সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এখানকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। সবার প্রশ্ন, পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল আসলে কার?

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজে গিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালী গার্মেন্টস এক্সেসোরিজ সমবায় সমিতি নির্বাচনের ব্যানার ফেস্টুন ঝুলে থাকতে দেখা যায়। এই নির্বাচন আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে। এখানে এবিষয়ে অবগত নয় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জানা যায়, পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ পুরোপুরি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়ে নির্বাচনের জন্য ভাড়া দিয়েছে পোগোজ স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. মনির হোসেন।

এ বিষয়ে পোগোজ ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মো. মনির হোসেন বলেন, আমরা ডিসি মহোদয় এবং পুলিশ থেকে অনুমতি নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে অনুমতি নেয়া হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা অনুমতি নিয়ে নিবো। ভিসি স্যার আমাদের হলরুম ভাড়া দেয়ার জন্য সবসময় অনুমতি দিয়ে থাকেন৷ তবে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়া আর এমন হবে না বলে জানান তিনি। তবে আগামী ২৬ তারিখের নির্বাচন এখানেই হবে, এমন সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন তিনি।

শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মনিরা জাহান বলেন, আমি সকাল থেকেই এবিষয়ে সমাধান করার চেষ্টা করছি, আমাদের শিক্ষার্থীরা বেশ ক্ষুব্ধ। স্কুল পরিচালনায় এখন যে কমিটি হয়েছে সেখানে আমি নেই। আর স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমাকে কিছু জানিয়ে করেন না। ওনাকে এর আগেও বলার চেষ্টা করেছি পোগোজ যেহেতু আমাদের অধীনে, যে কোনো কাজ করতে আমাদের জানাতে হবে। এবিষয়ে আমাদের প্রোক্টরদের জানিয়েছি। ওনারা এবিষয়টা দেখবেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রোক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, পোগোজে কোন প্রকার নির্বাচনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এখন যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে এই পরিস্থিতিতে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ বন্ধ থাকবে। এই নির্বাচনের কোনভাবেই অনুমতি দেয়া হবে না আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত