ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬
২৪ °সে


লিট ফেস্টে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’

লিট ফেস্টে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’
লিট ফেস্টে আলোচনায় রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, পিপলু খান এবং দেবজ্যোতি মিসরা।

এক বছর পূর্তিতে দেশের জনপ্রিয় লিট ফেস্টে আরও একবার প্রদর্শিত হলো ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’। প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন দেশ-বিদেশের লেখক ও সমালোচকেরা। শনিবার বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক, ডকুফিল্মের পরিচালক পিপলু খান এবং আবহ সঙ্গীত পরিচালনায় থাকা দেবজ্যোতি মিসরার উপস্থিতিতে আলোচনা অনুষ্ঠানের শেষে ‘হাসিনা: অ্যা ডটারস টেল’ ডকুফিল্মটি প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনায় রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক বলেন, 'আমরা তাকে টেলিভিশনে দেখি। আমরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখি। তাকে দেখি পুরষ্কার গ্রহণ করতে বা বক্তব্য দিতে। কিন্তু এ সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে তিনি আমার খালা। আর বাস্তবিক অর্থে তিনি আমার খালার থেকেও বেশি কিছু। ১৯৭৫ সালের এই ন্যাকারজনক ঘটনার পর তিনি আমার নানা, নানি, মামা এবং সেদিন মারা যাওয়া আমাদের পরিবারের সকলের ভূমিকা পালন করছেন।'

ডকুফিল্মের দেওয়া বর্ণনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'আমার ধারণা যেভাবে নিজ দেশের নেতাদের আমরা বর্ণনা করি বা নিজ দেশের ইতিহাসকে বর্ণনা করি তা অযাচিত। সেখানে তথ্যের ওপর বারবার জোর দেওয়া হয়, বর্ণনায় নয়। আর সে কারণেই আমার কাছে মনে হয়, এ বিষয়টি সকলের কাছে অন্যরকম লাগবে। এই ডকুফিল্মটির শুটিং করা হয়েছে তার (প্রধানমন্ত্রী) ব্যক্তিগত গ্রন্থাগার ও রান্নাঘরে যেখানে কখনই ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।'

তিনি আরও বলেন, 'এই ডকুফিল্মের স্ক্রিপ্ট চেয়েছিলেন তিনি (প্রধানমন্ত্রী)। আমি তখন তাকে জানাই, কোন স্ক্রিপ্ট নেই। আপনার বর্ণাঢ্য জীবনই এই ডকুফিল্মের স্ক্রিপ্ট'।

পুরো ডকুফিল্ম জুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বদলে একজন মানুষ শেষ হাসিনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন পরিচালক পিপলু খান। পাঁচ বছর ধরে চলা সেই কাজের গুরুত্বের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, 'আমি সম্পূর্ণ বিষয়টি অনুধাবনের চেষ্টা করেছি। বঙ্গবন্ধুর কাছে টুঙ্গি পাড়ায় যাওয়া অনুভূতি কেমন ছিলো তা বুঝতে আমি একটি নৌকা ভাড়া করে টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছে।'

উল্লেখ্য, 'হাসিনা: এ ডটারস টেল' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন। ডকুফিল্মটির প্রযোজনায় ছিলেন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু। গত বছর ১৫ নভেম্বর চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার হয় ঢাকায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ মুখে বর্ণনা করা তার জীবনের কথাগুলো দারুণভাবে আকৃষ্ট করে উপস্থিত সকলকে। দেশ গঠনে নিজ জাতি ও সর্বোপরি ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা শোনান তিনি। এখানে বিশ্বের সবচাইতে ন্যাকারজনক এক হত্যার কথা বলেন তিনি। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশর জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে যেই নৃশংসতার সাথে হত্যা করা হয় তা জেনে শিউরে ওঠেন উপস্থিত দর্শক।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৪ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন