বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭
২৮ °সে

‘নিজের দেশের সুনামের জন্য কাজ করে যাবো’

‘নিজের দেশের সুনামের জন্য কাজ করে যাবো’
ওয়াহিদ ইবনে রেজা।

ওয়াহিদ ইবনে রেজা। বাংলাদেশের এই মেধাবী তরুণ তার ক্যারিয়ারে যেসব বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন তা এক কথায় ঈর্ষণীয়। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে একটি বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন এই মেধাবী তরুণ।

বিশ্বখ্যাত এই চলচ্চিত্র নির্মাতা অ্যাভেঞ্জার্স, ব্যাটম্যান, স্পাইডার ম্যান, এক্সট্রাকশন থেকে শুরু করে ব্লকবাস্টার মুভিগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সম্প্রতি ‘জীবন যেখানে যেমন’ অনুষ্ঠানে নিজের জীবনের গল্প বলেন মেধাবী এই তরুণ।

গতকাল ছাপা হয়েছে আলাপচারিতার প্রথম কিস্তি। আজ বাকি অংশ প্রকাশিত হলো বিনোদন প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন তানভীর তারেক

অবশ্যই, তবে আমাদের প্রডাকশন হাউজগুলো আপনাকে ঠিক সেই পর্যায়ের গুরুত্বও দেওয়াটা জরুরি। কারণ আপনি আমাদের দেশের গর্ব। শুরুর দিকে আপনার উত্তরণের পথগুলো নিশ্চয়ই এতটা মসৃণ ছিল না—

না, সেটা তো কখনোই মসৃণ ছিল না। প্রথমদিকে যখন কাজ শুরু করি তখন দেশের নাম শুনে বলেছিল, ওহ! আপনাদের দেশে কি টিভি আছে? আমি হতভম্ভ। আমি ভাবলাম যে, আমার নিজের বেডরুমে আলাদা টিভি আছে কি-না জানতে চাইলো নাকি। পরে বুঝলাম, ওদের ধারণাগুলো এমনই। মনে মনে ভাবলাম, নিজের কাজ দিয়েই এগুলো দূর করতে হবে। এরপর শুরুর দিকে যা কাজ আসতো সব করতাম। অন্যের কাজও করে দিতাম। তাতে সবার প্রতি আস্থা হয়ে যায়। আমি একটা নির্ভরযোগ্য কর্মী হিবেসে অবস্থান হয় আমার। পরিশ্রমের আসলেও কোনো বিকল্প নেই। আল্লাহর রহমতে এখন আর আমাকে কাজ খুঁজতে হয় না। কাজই আমাকে খুঁজে নেয়।

এই যে একাধিক অস্কার জয়ী ছবির কারিগরী টিমের সঙ্গে আপনি কাজ করেছেন। বিশ্বখ্যাত ছবিগুলোর সঙ্গে আপনার এই সম্পৃক্ততা। এর সঙ্গে সর্বশেষ নেটফ্লিক্সের প্রডাকশনের এক্সট্রাকশন নিয়ে বাংলাদেশি দর্শকদের বিরূপ মতামত নিয়ে কী বলবেন?

সত্যি বলতে কী, আমি এই প্রডাকশনের একেবারে শেষদিকে সম্পৃক্ত হই। এরপরও আমি বাংলা র্যাপ ঢোকানোর ব্যাপারটা থেকে শুরু করে যতটুকু সম্ভব ইনপুট দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পুরো বিষয়টি অনেক আগেই সেটাপ ছিল।

করোনাকালে নিজের কাজের ক্ষেত্রে কোনো সংকট-সমস্যা, আগামী দিনের ভাবনা...

না, ক্যারিয়ারের প্রথমভাগ হলে হয়তো খুব বিপাকে পড়তাম বা কষ্ট হতো। কিন্তু এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোম আমার কাছে বেশ কমফোর্টেবল। অফিসও খুব সাপোর্ট করছে আমাদের। আমার বাবার একটি গল্প থেকে একটি ফিল্ম তৈরির কাজ করছি। সেটা অনেকদূর এগিয়েছে। ইচ্ছে নিজের দেশের যেকোনো সুনামের জন্য কাজ করে যাওয়ার।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত