সেলুলয়েডে ম্যারাডোনা

সেলুলয়েডে ম্যারাডোনা
সেলুলয়েডে ম্যারাডোনা

গত বুধবার আর্জেন্টিনার স্থানীয় সময় বিকেলে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এই ফুটবল কিংবদন্তী ম্যারাডোনা। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে সারাবিশ্বেই। শুধু ক্রীড়াঙ্গনের মানুষই নয়, সারা বিশ্বের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ ম্যারাডোনার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান।

এই ম্যারাডোনার খ্যাতি কোথায় ছিল না? সেই খ্যাতিকেই কাজে লাগিয়ে যুগে যুগে তৈরি হয়েছে অনেক সিনেমা ও ডকুমেন্টারি। চলুন দেখে নেওয়া যাক সেগুলোর বিস্তারিত—

ম্যারাডোনা, দ্য গোল্ডেন কিড

আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তীকে নিয়ে সর্বপ্রথম নির্মিত হয় ‘ম্যারাডোনা, দ্য গোল্ডেন কিড’ নামের একটি ডকুমেন্টারি। ১ ঘণ্টা ৩৩ মিনিটের এ তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে না জানা ম্যারাডোনার অনেককিছু। এটি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬ সালে। ডকুমেন্টারিটি পরিচালনা করেন জিন-ক্রিস্টোফ রোজ।

লাভিং ম্যারাডোনা

আর্জেন্টাইন চলচ্চিত্রকার হাভিয়ের ভাসকেস পরিচালিত ‘লাভিং ম্যারাডোনা’ নামে একটি সিনেমা ২০০৭ সালে মুক্তি পোয়। ১ ঘণ্টা ৪ মিনিটের এ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন জাভিয়েজ মার্টিন ওয়াজকেজ।

ম্যারাডোনা, দ্য হ্যান্ড অব গড

এটি ম্যারাডোনার বায়োপিক। কিংবদন্তীর জীবনের নানা গল্প নিয়ে এই সিনেমাটি তৈরি করেছেন ইতালিয়ান চলচ্চিত্রকার মার্কো রিসি। ২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ইতালিয়ান সিনেমাটির মূল নাম ম্যারাদোনা লা মানো দি দায়োস। আর আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটি ‘ম্যারাডোনা, দ্য হ্যান্ড অব গড’ নামে পরিচিত।

ম্যারাডোনা বাই কুস্তুরিত্সা

‘হ্যান্ড অব দ্য গড’-এর মালিক ম্যারাডোনাকে নিয়ে যত নির্মাণ রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে প্রশংসিত ‘ম্যারাডোনা বাই কুস্তুরিত্সা। এই ডকুমেন্টারিটি দু-বার কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের সর্বোচ্চ পদক পাম দি’অর জয়ী সার্বিয়ান চলচ্চিত্রকার কুস্তুরিত্সা নির্মাণ করেছেন। ১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের তথ্যচিত্রটি প্রিমিয়ার হয়েছিল ২০০৮ সালের কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে।

দিয়াগো ম্যারাডোনা

১৯৮৪ সালে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা থেকে ইতালিয়ান ক্লাব নাপোলিতে নাম লেখান ম্যারাডোনা। পরের গল্পটা সবার জানা। নাপোলির ইতিহাস বদলে দেওয়া সুপারস্টার ম্যারাডোনা। আজও তার সম্মানে দলটি ১০ নম্বর জার্সি তুলে রেখেছে। সেই নাপোলিতে নাম লেখানো এবং অখ্যাত এক ক্লাবকে সিরি-এ ও উয়েফা কাপ (বর্তমানে চ্যাম্পিয়নস লীগ) জেতানোর দুর্দান্ত গল্পকে ঘিরে তৈরি ডকুমেন্টারি ‘দিয়াগো ম্যারাডোনা’।

এটি নির্মাণ করেছেন ব্রিটিশ চলচ্চিত্রকার আসিফ কাপাডিয়া। ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া এই তথ্যচিত্রটির দৈর্ঘ্য ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এখানে দেখা যাবে ম্যারাডোনার কিছু বিরল ফুটেজ। এটিও কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ার হয়েছে।

Nogod
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত