কঙ্গনার বাংলো ভাঙার নির্দেশ খারিজ

কঙ্গনার বাংলো ভাঙার নির্দেশ খারিজ
অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতে। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ের ভারতের সব থেকে আলোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতে। বিশেষ করে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর থেকে নানান ঝামেলায় জরিয়েছিলেন তিনি। সৃষ্টি হয়েছিলো বহু সমস্যা। এবার সমস্যার বোঝা আপাতত কিছুটা হালকা হল। শুক্রবার মুম্বাই হাইকোর্ট অভিনেত্রীর বাংলো ভাঙার নোটিস খারিজ করে দিয়েছে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে সেপ্টেম্বর মাসে বৃহণ্মুম্বাই মিউনিসিপাল কর্পোরেশন (বিএমসি) এই নোটিস জারি করেছিল।

তার পালি হিলের বাংলো ভাঙা ‘বেআইনি’ বলে এই নোটিসের বিরুদ্ধে কঙ্গনা হাইকোর্টে একটি পিটিশন জমা করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে অন্যায়ভাবে শিবসেনা বিএমসিকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে।

বিচারপতি এসজে কাঠাওয়ালা এবং বিচারপতি আরআই চাগলার ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, কঙ্গনার অফিসে বিএমসি-র ভাঙচুর চালানোর পিছনে যথাযথ কোনও কারণ ছিল না, বরং অসৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়ে তা করা হয়। এর সঙ্গেই এক জন ভ্যালুয়ার নিয়োগ করে ভাঙচুরের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার নির্দেশও দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি, কঙ্গনাকেও তার কথা এবং কাজের ব্যাপারে সংযম রাখার উপদেশ দেওয়া হয়েছে।

কঙ্গনা তার বাংলো ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিএমসির কাছে থেকে ২ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন। ২০২১-এর মার্চ মাসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুযায়ী অভিনেত্রীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

সেই সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে হাইকোর্ট জানায়, বাংলোর একাধিক ছবি ভালভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং সেগুলো থেকে কোনও রকম বেআইনি নির্মাণের প্রমাণ মেলেনি।

হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বসিত কঙ্গনা টুইটে লেখেন, ‘এক জন ব্যক্তি যখন সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং জয়ী হয় তখন শুধুমাত্র তার একার জয় হয় না, গণতন্ত্রের জয় হয়। যাঁরা আমাকে সাহস জুগিয়েছেন তাঁদের অসংখ্য ধন্যবাদ। যাঁরা আমার স্বপ্ন ভাঙতে দেখে হেসেছেন, তাঁদেরও ধন্যবাদ। আপনারা ভিলেন হয়েছেন বলেই আমি হিরো হতে পেরেছি।’

ইত্তেফাক/বিএএফ

Nogod
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত