রাতের অন্ধকারে ক্যামেরায় ধরা পড়লেন আলিয়া-রণবীর

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৩০ | অনলাইন সংস্করণ

  অনলাইন ডেস্ক

আলিয়া ভাট এবং রণবীর কাপুর।ছবি: সংগৃহীত

আলিয়া ভাট এবং রণবীর কাপুর ট্রেন্ডিং তালিকায় নেই এমন দিন বোধ হয় শেষ কবে গিয়েছে মনে করে উঠতে পারবেন না। হয় তাদের কোনও নতুন ছবি, না হলে তাদের বিয়ের জল্পনা, কিছু না হলে প্রেমের কোনও মুহূর্ত নিয়ে নানারকম ফিসফাস- কোনও না কোনও ভাবে তারা ট্রেন্ডিং তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেনই।

‘ব্রহ্মাস্ত্র' সিনেমায় প্রথমবার একসঙ্গে দেখা যাবে দুজনকে। তার আগে শনিবার রাতে ধর্মা প্রোডাকশনের অফিসে দেখা গেল রণবীর কাপুর এবং আলিয়া ভাটকে দুজনেই পড়েছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। আলিয়ার পরনে ছিল একটি গোলাপি রঙের ট্যাঙ্ক টপ ও সঙ্গে কালো ট্রাক প্যান্ট এবং কালো জ্যাকেট। ২৬ বছরের অভিনেত্রী চুলটা খোঁপা করে বেঁধেছিলেন। রনবীর এসেছিলেন একেবারে ক্যাজুয়াল পোশাকে। কালো টি শার্ট এবং ম্যাচিং কালো ট্রাক প্যান্ট পরে। আর মাথায় ছিল একটি টুপি। তাদের দেখতে পেয়ে ক্যামেরার ফ্ল্যাশ পরপর ঝলসে ওঠে।

আরো পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় নিহতের সংখ্যা ‘১৩৮ মিলিয়ন’, ভুল টুইট ট্রাম্পের

আলিয়া এবং রণবীরকে মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে দেখা যায়। সম্প্রতি তারা পরস্পরের প্রতি ভালোলাগা ভালোবাসার কথা সকলের সামনে খোলাখুলিভাবে শেয়ার করাও শুরু করেছেন। জি সিনে অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে রণবীর-আলিয়ার গালে একটি আলতো চুমু এঁকে দেন। তার পরে তারা ট্রেন্ডিং তালিকার শীর্ষে চলে গিয়েছিলেন।

আবার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে গিয়ে আলিয়া ভাট সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার গ্রহণের সময় মঞ্চ থেকেই সকলের সামনে স্পষ্ট বলেন, ‘আজকের রাত ভালোবাসার রাত, ওইখানে আমার বিশেষ মানুষটি বসে, আই লাভ ইউ রনবীর।’

আলিয়া এবং রণবীর কাপুরের রোমান্স নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয় যখন ‘ব্রহ্মাস্ত্র' সিনেমায় তারা একসঙ্গে শুটিং শুরু করেন। প্রথম তাদের দুজনকে একসঙ্গে দেখা যায় সোনম কাপুর ও আনন্দ আহুজার বিয়ের রিসেপশনে। গত বছর মুম্বাইয়ে সেই অনুষ্ঠান হয়েছিল। এরপর ডিসেম্বরের শেষে নিউ ইয়ার সেলিব্রেট করতে রণবীরের পরিবারের কাছে রণবীরের সঙ্গেই উড়ে যান আলিয়া। কারণ রণবীরের বাবা-মা ঋষি ও মা নীতু কাপুর চিকিৎসার প্রয়োজনে নিউ ইয়র্কে রয়েছেন।

আলিয়া এবং রণবীরকে অয়ন মুখার্জি পরিচালিত ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যাবে। সেখানে রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন, ডিম্পল কপাডিয়া, মৌনি রায় এবং আক্কিনেনি নাগার্জুন।

ইত্তেফাক/বিএএফ