মৌসুমি

সোনালুর হলুদাভ উষ্ণ অভ্যর্থনা

সোনালুর হলুদাভ উষ্ণ অভ্যর্থনা
মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলা এলাকায় গাছে গাছে সোনালুর হলুদ রঙের সমারোহ [ছবি: ইত্তেফাক]

গ্রীষ্মের ঝিম ধরা তপ্ত রোদে চারদিক খাঁখাঁ করছে; প্রচণ্ড গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। মহামারি করোনা আতঙ্ক তো আছেই। তাই বলে থেমে নেই ফুল ফোটা। মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলা এলাকায় এখন সোনালুর হলুদ রঙের সমারোহ।

ঘিওর থানার মোড়, উপজেলা পরিষদ চত্বর, বানিয়াজুরী, রাথুরা-তরা রাস্তা, জাবরা, বালিয়াখোড়া, সিংজুরী, তেরশ্রী রাস্তা, সরকারি ডিগ্রি কলেজের পেছনের রাস্তা, পঞ্চরাস্তা মোড়, বড়টিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সড়ক, নালী-কেল্লাই সড়কের দুপাশে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জোকা-পুখুরিয়া রাস্তা, বাষ্টিয়া খেলার মাঠ, পয়লা গ্রামীণ রাস্তা, ভোর বাজার ও আশাপুর বাজার এলাকায় সোনালু গাছের অপরূপ সৌন্দর্য নজর কাড়ে। হলুদ রঙের শোভা ছড়িয়ে ঝুলে আছে ফুল। গ্রামের সড়কের পাশে কিংবা পুকুর ধারে সোনালুর দোল দেখে মনে হয়—প্রকৃতির হলুদাভ উষ্ণ অভ্যর্থনা।

দীর্ঘ মঞ্জরিদণ্ডে ঝুলে থাকা ফুলের পাপড়ি সংখ্যা পাঁচটি। সবুজ রঙের একমাত্র গর্ভকেশরটি কাস্তের মতো বাঁকানো। এ গাছের ফল বেশ লম্বা, লাঠির মতো। গাড় সবুজ রঙের পাতাগুলো যৌগিক, মসৃণ ও ডিম্বাকৃতির। ফুল এক থেকে দেড় ইঞ্চি পর্যন্ত চওড়া হয়।

ঘিওর উপজেলার জাবরা ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা কামরুন নাহার মুক্তা বলেন, গ্রীষ্মের প্রকৃতিতে প্রাণের সজীবতা নিয়ে ফোটে সোনালু। কিশোরীর কানের দুলের মতো বৈশাখী হাওয়ায় দুলতে থাকে হলুদ-সোনালি থোকা থোকা ফুল। কারো সাধ্য নেই দৃষ্টি না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার।

ইত্তেফাক/এমআর

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x