বেটা ভার্সন
আজকের পত্রিকাই-পেপার ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২০, ২২ শ্রাবণ ১৪২৭
২৯ °সে

স্বাস্থ্য

মধুর অনেক গুণ!

মধুর অনেক গুণ!
মধুকে বলা হয় প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ ঔষধ

প্রিয় বন্ধুরা, কেমন আছ তোমরা? চারদিকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের কথা নিশ্চয়ই তোমরা জানো। যেকোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য প্রাথমিকভাবে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে- যার মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ৷ চলো জেনে নেওয়া যাক, এই কাজে সাহায্য করতে পারে এমন একটি খাদ্য উপাদানের কথা-

‘জন্মের পরে কি মুখে মধু দেওয়া হয়নি?’-কথাটির সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। শিশুকে মিষ্টভাষী করার উদ্দেশ্যে নবজাতক শিশুকে জন্মের পরপরই মধু খাওয়ানোর একটি রীতি আমাদের দেশে প্রচলিত, যা কিনা শিশুকে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে। ১ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এটি না করাই ভালো। কেননা ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুদের হজমশক্তি থাকে একদম দুর্বল, কাঁচা মধুতে উপস্থিত ক্লোস্ট্রিডিয়াম বোটুলিনাম নামক উপাদান শিশুদের পরিপাকে বিষক্রিয়া ঘটায় এবং এর সঙ্গে লড়াই করার মতো শক্তি তখনো শিশুর দেহে তৈরি হয় না। তবে ১ বছর অতিক্রম হওয়ার পর থেকেই মধুতে থাকা ব্যাকটেরিয়া মানবদেহের কোনো ক্ষতি করতে পারে না। বরং মধুর জাদুকরী সব খাদ্য উপাদানের কারণে শিশু বেড়ে ওঠে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে। বেড়ে ওঠার জন্য শিশুদের অবশ্যই খেলাধুলার প্রয়োজন। শিশু খেলতে গিয়ে ব্যথা পেলে ক্ষতস্থানে সামান্য মধু প্রয়োগ করলে তা যেকোনো জীবাণু থেকে রক্ষা করে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে সর্দি, ফ্লু, জ্বর, কাশি সাধারণ সমস্যা। সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ স্লাইস লেবুর রস এবং ১/২-১ চা চামচ মধুর মিশ্রণ, ১ গ্লাস দুধের সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে বা ১ চামচ মধুর সাথে তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খেয়ে নিলেই আরাম পাওয়া যায়। মধুকে বলা হয় প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সবচেয়ে নিরাপদ ঔষধ। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রথমেই মধুর বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করে নিতে হবে কিন্তু।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত