বব কাটে বিউটিফুল

বব কাটে বিউটিফুল
মডেল: এভ্রিল। ছবি: মঞ্জুরুল আলম  

ছোট চুল সামলানো যেমন সহজ তেমনি যত্ন নিতেও। ছোট চুলেরও অনেক রকম স্টাইল হয়। বব কাট তার মধ্যে অন্যতম। ইচ্ছেমতো লুক পাল্টে নেওয়া যায় বলে বব কাটের জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বাড়ছে। চুল শুকানোর ঝক্কি নেই, যেকোনো পোশাকের সাথে বব কাট আজকাল তরুণীদের বিশেষ পছন্দ। তবে বব কাটেরও রকমফের আছে। জেনে নিন বব কাটের ধরণগুলো কী কী।

ওয়ান লেংথ বব: চুল অল্প ছোট করা হয় এই কাটে। এথনিক ও ওয়েস্টার্ন-দুই ধরণের পোশাকের সঙ্গেই দারুণ মানিয়ে যায় ওয়ান লেংথ বব।

গ্র্যাজুয়েটেড বব: এই কাটে কানের নীচের অংশ পর্যন্ত লেংথে চুল কাটা হয়। তারপর ধীরে ধীরে চুলের শেপ দেওয়া হয়। খুব ছোট চুল চাইলে এই কাট ট্রাই করে দেখতে পারেন।

লেয়ার্ড বব: চুলের পেছনের অংশ প্রথমে হাই লেয়ার্সে কাটা হয়। তারপর সামনের দিকে কখনো চুল লম্বা রাখা হয়, কখনো ছোট করা হয়। লেয়ার্ড ববেরও নানা ধরণের স্টাইল রয়েছে। যেমন: হাই লেয়ার্ড বব এবং লো লেয়ার্ড বব।

অ্যাসিমেট্রিক্যাল বব: চুলের একদিকে লং কাট রেখে অন্যদিকে শর্ট কাট রাখা হয়। যারা হেয়ার স্টাইলে সাহসী লুক চান, তারা চাইলে ট্রাই করে দেখতে পারেন অ্যাসিমেট্রিক্যাল বব কাটটি।

এ-লাইন বব: একে লঙ্গার বব কাটও বলা হয়। ব্লান্টের মতো দেখতে হলেও খানিকটা লম্বা ও রাউন্ড শেপের বব কাট।

অবশ্যই হেয়ার স্টাইলিস্টের সঙ্গে কথা বলে চুল কাটবেন। আপনার মুখের গড়ন, বয়স, চুল কীভাবে মেনটেন করবেন, সে সব বুঝে তিনিই ঠিক স্টাইলটা বেছে দেবেন আপনাকে। ময়েশ্চার বেসড শ্যাম্পু ব্যবহার করলে ববড চুলের ভলিউম ঠিকঠাক থাকে। চুল নরম ও মসৃণতা বজায় থাকে। তাড়াহুড়ার সময় চুলের সামনের দিকের অংশ অন্তত আঁচড়ে নিন। যদি সময় থাকে তাহলে আয়রন করে নিতে পারেন। চুল মেনটেন করার একদমই সময় না পেলে ব্লান্ট বব কাট ট্রাই করতে পারেন। দেড় মাস পর পর ট্রিম করে নেবেন। বব স্টাইলে কালার করলেও মন্দ দেখায় না। হাইলাইট করতে পারেন, বা চুলের সামনের অংশে কালার করলেও ভালো লাগবে।

ইত্তেফাক/আরএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x