ঈদে ছেলেদের সাজ-পোশাক

ঈদে ছেলেদের সাজ-পোশাক
মডেল: আরিফিন শুভ। পোশাক ও ছবি: ইজি

আতঙ্ক ও অস্বস্তির বিপর্যস্ত জনজীবনে আবারো এসেছে আরো একটি ঈদুল আজহা। সকলের মাঝেই ঈদকে বরণ করার প্রস্তুতি। সাজে-পোশাকে মেয়েদের সঙ্গে ছেলেরাও থেমে নেই। ঈদে কেমন হবে ছেলেদের সাজ-পোশাক, চলুন জেনে নেওয়া যাক-

চুলের কাট

ঈদের মূল সাজের আগে কাটিয়ে ফেলুন চুল। ঈদের আগের দিন চুল কাটালে হয়তো চুলের কাটিং চেহারার সঙ্গে ঠিকঠাক নাও মিলতে পারে। চুল কাটানোর পর তা চেহেরার সাথে সেট হয়ে যেতে অন্তত দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যায়। সদ্য কাটানো চুলের অসামঞ্জস্যতার জন্য অপ্রস্তুতও হতে পারেন।

আর চুল এবং দাড়ির কাট কেমন হবে, সেটা আগে থেকেই ভেবে রাখুন। বয়স, পেশা, মুখের আকৃতি, চুলর ধরণ বুঝে হেয়ার স্টাইল এবং দাড়ি স্টাইল নির্বাচন করুন। একবার এক স্টাইলে চুল কেটে ফেললে, আবার কিন্তু হুট করেই স্টাইল পরিবর্তন করতে পারবেন না; বিষয়টি গুরুত্বেও সাথে চিন্তা করে চুল কাটান। সেই সঙ্গে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করাতে চাইলেও তা সেরে ফেলুন এখনই। ফেসিয়াল করাতে চাইলে আর বিলম্ব না করাই ভালো। সেই সঙ্গে মেনিকিউর-পেডিকিউর এবং পর্যাপ্ত সময় থাকলে করিয়ে ফেলুন স্পা।

ঈদের সকাল

ঈদের সকালের শুরুতেই থাকে নামাজ। এবং নামাজের জন্য পাঞ্জাবির বিকল্প নেই। একটা সময় ঈদের নামাজের জন্য হালকা রঙের পাঞ্জাবি সবাই বেছে নিতেন। এখন অবশ্য গাঢ় রঙের পাঞ্জাবিও পরে থাকেন অনেকে। নামাজে যাওয়ার সময় সুগন্ধি ব্যবহার করতে ভুলবেন না। এক্ষেত্রে বডি স্প্রে ব্যবহার না করে আতর ব্যবহার করাই উত্তম। আতর নির্বাচনে হালকা ঘ্রাণ প্রাধান্য দিন। মাত্রাতিরিক্ত তীব্র ঘ্রাণের আতর অন্যের জন্য বিরক্তির কারণ হতে পারে।

ঈদের বিকাল-সন্ধ্যা

ঈদের নামজের পর পশু কোরবানি, মাংস কাটাকুটি ও বণ্টন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। তাই দুপুর পর্যন্ত এভাবেই চলে যায়। দুপুরের পর অনেকেই পশু কোরবানির পরিশ্রমের কারণে বাড়িতে থাকতেই পছন্দ করেন। কেউ কেউ বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে বেড়িয়ে পড়েন বেড়াতে। এ সময়েও পরা যেতে পারে পাজামা-পাঞ্জাবি। ক্যাজুয়াল শার্ট-প্যান্টও পরা যেতে পারে। এক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছেটাকেই প্রাধান্য দিন। ঈদের দিনের বিকালে বা সন্ধ্যায় পায়জামা-পাঞ্জাবির চেয়ে ভালো হবে শার্ট-প্যান্ট। ইচ্ছে করলে পরতে পারেন রঙিন টি-শার্ট এবং প্যান্টও।

ঈদের দিনের সাজগোজ করার আগে খেয়াল রাখুন আবহাওয়ার কথাও। এখন তো বর্ষাকাল, তাই যেকোনো সময় বৃষ্টি হতে পারে, এ দিকটা বিবেচনা করে নির্বাচন করুন নিজের পোশাক। আর ঈদের দিন ব্যবহার করার সুগন্ধি, হাতে পরার ব্রেসলেট, ঘড়ি, সানগ্লাস, চুলর জেল, লকেট ইত্যাদি হাতের নাগালে রাখুন, না হলে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে।

ইত্তেফাক/আরএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x