আজ থেকে কঠোর বিধিনিষেধ

গণমাধ্যমসহ আর যা কিছু আওতামুক্ত থাকবে
আজ থেকে কঠোর বিধিনিষেধ
ছবি: আব্দুল গনি

করোনা ভাইরাসের চলমান দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ সামাল দিতে আজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দেশব্যাপী আট দিনের (১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত) কঠোর বিধিনিষেধ।

তবে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা ১৩ দফা বিধিনিষেধ সংবলিত প্রজ্ঞাপনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—গণমাধ্যমসহ (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া) অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবাসংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মী এবং যানবাহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

ফলে গণমাধ্যম এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দৈনন্দিন কার্যক্রম, স্বাভাবিক যাতায়াত ও তাদের যানবাহন চলাচল সরকারি নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। আট দিনের লকডাউনে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘মুভমেন্ট পাশ’ দিতে পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার বিশেষ অ্যাপ চালু করলেও গণমাধ্যম কর্মীদের এই পাশ লাগবে না বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।

ছবি: আব্দুল গনি

সরকারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ‘আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন—কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুত্, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তাব্যবস্থা, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন—এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।’

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, লকডাউন চলাকালে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শিল্পকারখানা চালু রাখা যাবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। করোনার টিকা কার্ড দেখিয়ে টিকা নিতে যাতায়াত করা যাবে। বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর এবং এ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকলেও পণ্য পরিবহন, উত্পাদনব্যবস্থা ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না। ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিত্সাসেবা, মৃতদেহ দাফন বা সত্কার ইত্যাদি অতি জরুরি প্রয়োজনীয় কাজে বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে।

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x