মোস্তফা হত্যা মামলা

জোসেফ, হারিস, আনিস কি সুবিচার পেয়েছিলেন?

জোসেফ, হারিস, আনিস কি সুবিচার পেয়েছিলেন?
প্রতীকী ছবি

(পর্ব-২)

(মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা :১১ আগস্ট, ১৯৮৯)

মোস্তফার সন্ত্রাসী-জীবনে অন্যতম বড় মিশন এটি। ১১ আগস্ট ১৯৮৯ তারিখে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার সঙ্গে জর্জ, গোলাম সারওয়ার ওরফে মামুন, হাদী নেওয়াজ খান ওরফে বাহার, ফ্রিডম সোহেল, শহীদুল ওরফে কেরা খোকন, খালেদ আলভি, হুমায়ুন কবির, কানা লিয়াকত ইত্যাদি ব্যক্তিকে নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের বঙ্গবন্ধুর ৬৬৭ নম্বর বাড়ি প্রায় দুটি বেবিট্যাক্সি যোগে এসে সেখানে আক্রমণ করে। ঘটনার রাতেই হাবিলদার জহিরুল ধানমন্ডি থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন, যেখানে তিনি বলেন, ১১ আগস্ট (১০ আগস্ট দিবাগত রাত) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার সময় ঘটে যাওয়া ঘটনার বর্ণনা দেন। তিনি জানান যে তার সঙ্গীয় কলিগ মো. জাকির হোসেনসহ বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ডিউটিরত অবস্থায় সাত থেকে আট জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাড়ির সামনে সাত-আটটি ককটেল ফাটায় এবং আট থেকে ১০ রাউন্ড গুলি করে। এই ঘটনায় বাদী জহিরুল নিজেও দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন এবং তার সঙ্গে থাকা পুলিশ কর্মচারী আরো তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। এই সময় সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি করতে করতে ‘কর্নেল ফারুক জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিতে দিতে বাড়ির পূর্ব দিকে প্রধান সড়কের দিকে পালিয়ে যায়। এই ঘটনা পুলিশ মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করেন এবং প্রাথমিকভাবে দণ্ডবিধির ১৪৩/৩৪ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৪ ধারায় মামলা রুজু হয়। মামলার নম্বর ২৪(৮)৮৯। পরবর্তী মামলার অধিক তদন্তকালে দণ্ডবিধির ১২০-বি১৪৮/১৪৯/৩০৭/১০৯ ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৪ ধারার অপরাধ বলে প্রতীয়মান হয়। পরবর্তী সময়ে এই মামলার আসামি সন্ত্রাসী হাদী নেওয়াজ খান ওরফে বাহার তাদের সেই দিনের বাকি সহযোগী জর্জ, গোলাম সারোয়ার ওরফে মামুন, ফ্রিডম সোহেল গংদের সঙ্গে নানাবিধ কলহে জড়ায় এবং খুন হয়। বাহার খুনের মামলায় আবার উল্লিখিত ব্যক্তিদের যাবজ্জীবন সাজা হয়। একই দিকে ঐ রাতের ঘটনায় জড়িত খালেদ আলভি ফ্রিডম পার্টির অন্তর্দ্বন্দ্বে নিহত হয় ১৯৯১ সালে, যার পরিপ্রেক্ষিতে এই হত্যায় জড়িত অনেক ফ্রিডম পার্টির সন্ত্রাসীদের ৩০ বছর করে সাজা হয়। মামলা নম্বর ছিল ১৯৬/৯২ [সূত্রাপূর থানার মূল মামলা নম্বর-২৩(৫)৯১]

বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যার চেষ্টা করার এই মামলায় পরবর্তী সময়ে চার্জশিট দেওয়া হয় ২০ জানুয়ারি ১৯৯৭ সালে, যেখানে ঘটনায় অংশ নেওয়া, পরিকল্পনাকারী তথা জড়িত তত্কালীন সময় বেঁচে থাকা ১৬ জনের বিরুদ্ধের চার্জশট দেওয়া হয়। এরা হচ্ছে—লে. কর্নেল ফারুক (অব.), রেজাউল ইসলাম খান ওরফে ফারুখ রেজা, মহাম্মদ হুমায়ুন কবির ওরফে কবির, গাজী লিয়াকত ওরফে কানা লিয়াকত, মহাম্মদ মিজানুর রহমান, জর্জ, মহাম্মদ শাহজাহান ওরফে ছেঁড়া, গোলাম সারোয়ার মামুন, মহাম্মদ সোহেল ওরফে ফ্রিডম সোহেল, লে. কর্নেল. (অব.) খন্দকার আব্দুর রশিদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, জাফর আহমেদ ওরফে মানিক, সৈয়দ নাজমুল মাকসুদ ওরফে মুরাদ, গাজী ঈমাম হসেন ঈমাম, মহাম্মদ হুমায়ুন কবির হুমায়ুন, খন্দকার আমিরুল ইসলাম ওরফে কাজল। এই মামলায় গ্রেফতারকৃত কিন্তু অভিযুক্ত নয়, এমন দুজন ব্যক্তিও ছিলেন। তারা হলেন—বেনজীর আহমেদ জুয়েল, সাইফুর রহমান খোকন। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ছিলেন ১৩ জন। যেহেতু এই মামলার অন্যতম প্রধান আসামি এই লেখার আলোচ্য মোস্তফা ১৯৯৬ সালেই মৃত্যুবরণ করেছিল এবং অন্যান্য দ্বন্দ্বে খালেদ আলভি, কেরা খোকন ও বাহারের মৃত্যু হয়েছিল। ফলে এদের চার জনের নাম আর চার্জশিটে আসেনি।

এখানে উল্লেখ্য যে, এই ঘটনা যখন প্রাথমিকভাবে তদন্ত হয় তখন ধানমন্ডি থানার এসআই আব্দুস সোবাহান এই মামলাটি দ্রুত তদন্ত করে মাত্র একজনকে অভিযুক্ত করে মূল অপরাধীদের বাঁচিয়ে দেবার চেষ্টা করেন। পরবর্তী সময়ে পুনঃ তদন্তের ভার সিআইডির ওপর ন্যস্ত হলে একটি পরিপূর্ণ চার্জশিট দাখিল করা হয়। উল্লেখ্য যে, এই চার্জশিটে নাম আসা অনেক অপরাধী ইতিমধ্যেই অন্য মামলায় জেলখাটা অবস্থায় থাকার কারণে এই মামলাতেও তাদের ‘শ্যোন’ গ্রেফতার দেখানো হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, চার্জশিট ভালো করে লক্ষ করলে দেওয়া যায় যে যাদের নাম চার্জশিটে রয়েছে এদের এক-একজনের বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা এরই মধ্যে বিবেচনাধীন ছিল। যেমন, লে. কর্নেল ফারুকের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাসহ আরো ছয়টি মামলা ছিল, কালা লিয়াকতের বিরুদ্ধে ডেমরা আর সূত্রাপুর থানায় ঐ সময় পর্যন্ত মামলা ছিল তিনটি, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা ছিল দুটি, জর্জের বিরুদ্ধে মামলা ছিল দুটি, যেখানে সে ইতিমধ্যে যাবজ্জীবন এবং ১০ বছর সাজাপ্রাপ্তও ছিল। ফ্রিডম রাসুর বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা ছিল চারটি, গোলাম সারোয়ার মামুনের বিরুদ্ধে মামলা ছিল দুটি, ফ্রিডম সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা ছিল দুটি (একটি রমনা ও আরেকটি মতিঝিল থানায়) মানিক ও মুরাদের বিরুদ্ধে মামলা ছিল যথাক্রমে এক ও দুটি। আর লে. কর্নেল রশিদ ও মেজর বজলুল হুদার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মামলা তত্কালীন সময়ে চলছিলই।

একটি ব্যাপার এখানে লক্ষণীয় যে, বঙ্গবন্ধুকন্যাকে হত্যাচেষ্টা মামলার প্রত্যেকেই দাগি আসামি ছিল এবং এই ঘটনার পূর্বাপর থেকেই এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানা ও আদালতে একাধিক মামলা চলছিল। এই মামলায় গ্রেফতারকৃত হুমায়ুন কবির ওরফে কবির, ফারুখ রেজা এবং গাজী লিয়াকত ওরফে কানা লিয়াকতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি থেকে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়, যেগুলো কিছু অংশ এখানে উল্লেখ করা সমীচীন মনে করছি। হুমায়ুন কবির তার জবানবন্দিতে স্পষ্ট জানান যে, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ফারুক, রশীদ ও বজলুল হুদার নেতৃত্বে ‘আগস্ট বিপ্লব আদর্শ বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামের একটি কমিটি গঠন করা হয়। আসামি হুমায়ুন তার ভায়রা ভাই কাজলের মাধ্যমে এই দলে যোগ দেয়, যেখানে তাদের ‘মুক্তির পথ’ নামের একটি বই পড়তে দেয়। তার জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে একটি ক্যাম্পে রেখে তাদের রীতিমতো অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো এবং তার ভাষ্যমতে তার ক্যাম্পে ৩৯ জন সন্ত্রাসী সেখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। ১৯৮৯ সালের ৭ কিংবা ৮ আগস্ট ধানমন্ডির ৩৬ নম্বর রোডে ফ্রিডম পার্টির অফিসে ফারুক, রশিদ আর বজলুল হুদার নেতৃত্বে একটা বৈঠক হয়, যেখানে তত্কালীন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

একইভাবে ফারুখ রেজা তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায় যে সে লিবিয়াতে গিয়ে কর্নেল ফারুক-রশিদ-হুদার ক্যাম্পে যোগ দেয় এবং ত্রিপলিতে তখন ফারুক-রশিদ বাংলাদেশে একটি ‘নতুন ধরনের’ রাজনৈতিক দল গঠনের প্রশিক্ষণ চলতে থাকে। এই ক্যাম্পে রীতিমতো অস্ত্র-গোলাবারুদ চালানোর কৌশল শেখানো হতো। প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে রেজা হুদার নেতৃত্বে ‘আগস্ট বিপ্লব আদর্শ পরিষদ নামে’ একটি সংগঠন তৈরি করে এবং পরবর্তী সময়ে এই পরিষদই ফ্রিডম পার্টি নামের সংগঠন তৈরি করে। ফারুখ রেজা জানায় তিনি ফ্রিডম পার্টির ঢাকা মহানগরীর কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং একই সঙ্গে অস্ত্র কেনার অর্থ নিয়মিতভাবে বজলুল হুদার থেকে নিতেন। এই ছাড়াও পার্টির বাকি ক্যাডারদের মাসিক ভাতা দেওয়া হতো। রেজা নিজে মাসিক ৫ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা ভাতা পেত। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ফারুখ রেজা এই ১১ আগস্টের হামলা নিয়ে এমনভাবে জবানবন্দি দেন যেটি পড়লে মনে হতে পারে যে, তিনি অন্য অনেকের মতো ঘটনা কারো মুখে শুনেছেন বা জেনেছেন। অথচ এই মামলার আসামি গাজী ওরফে কানা লিয়াকতের জবানবন্দিতে পুরো ব্যাপারটা আরো পরিষ্কার হয়।

গাজী লিয়াকত ওরফে কানা লিয়াকতের ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লিয়াকত তার জবানবন্দিতে বলছে, সে নিজেই বেবিট্যাক্সিতে ছিল এবং অস্ত্র নিয়ে সেদিন সে আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করবার উদ্দেশ্যে হামলা করেছিল। তবে লিয়াকত এই জবানবন্দিতে স্পষ্ট জানিয়েছে যে হামলার পর সমস্ত অস্ত্র তারা উল্লিখিত ফারুখ রেজার কাছেই জমা রেখেছিল এবং এই ফারুখই তাদের আপাতত পালিয়ে থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে লিয়াকত ছিল ফ্রিডম পার্টির কোতোয়ালি ও সূত্রাপুর থানার সাংগঠনিক দায়িত্বে।

ওপরের তিনটি জবানবন্দিতেই একটি নাম এসেছে বারবার, সেটি হচ্ছে আমাদের আলোচ্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার। তিনজন আসামি স্পষ্ট আকারে এই ফ্রিডম মোস্তফার নাম উল্লেখ করেছে এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা হত্যাচেষ্টা মামলায় তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

মোস্তফার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ :লালামাটিয়া ভিডিও ক্লাব, বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদাবাজি, জেনি কাবাব ঘর চাঁদাবাজি মামলা :(ক) মোস্তফা মারা যাওয়ার দুই থেকে তিন মাস আগে ১৯৯৬ সালে লালমাটিয়া ভিডিও ক্লাবে আজাদ নামে জনৈক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত চাঁদা না পেয়ে গুলি ছোড়েন। এতে ক্লাবের ভেতরে ভিডিও গেমস খেলারত এক কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় মোস্তফার বিরুদ্ধে মামলা হয়। (খ) ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে মানে মোস্তফার মৃত্যুর ঠিক আট মাস আগে ৮/৯ লালমাটিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ‘বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পে’র কর্মকর্তা জনাব আব্দুল গোফরানকে তার সহযোগী রাজীব ও দুজন গার্ড সহ শারীরিকভাবে আঘাত করে। একই দিনে এই প্রকল্প থেকে মোস্তফা চাঁদা দাবি করে এবং সেখানে থাকা ১৪ ইঞ্চি রঙিন টেলিভিশন নিয়ে চলে যায়। এই ঘটনা চলাকালে রাজীব ও মোস্তফা বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রকল্পের টেলিফোন সেটটি ভেঙে ফেলে। এই ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় মোহাম্মদপুর থানায় দণ্ডবিধির ৩৮৭/৩২৩/৩৮০/৪২৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নম্বর-২৭৫৮/৯৫। (গ) ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সালে সন্ত্রাসী মোস্তফা মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের ‘জেনি কাবাব ঘর’ নামের এই স্থানীয় প্রখ্যাত খাবারের দোকানে সকাল ১০টায় এসে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে না চাওয়ায় ঐ দিন সন্ধ্যায় আসামি মোস্তফার নেতৃত্বে আরো ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী হকিস্টিক, ছোরা, চাপাতি, পিস্তল ইত্যাদি অস্ত্র দিয়ে পুরো কাবাবঘরে ভাঙচুর চালায় এবং ক্যাশে থাকা ২৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় এবং আরো প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এই ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানার এসআই খোরশেদ আলম একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং আসামির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৮৫, ৩২৩, ৩৮০, ৪২৭, ৩০৭ ধারায় অভিযোগ আনেন। এই ঘটনার মামলা নম্বর ছিল ১৩৬/০৪ ওপরের এই পুরো ঘটনাগুলো এবং ঘটনার বিবরণ একটা সুনির্দিষ্ট কাঠামো আমাদের সামনে দাঁঁড় করায়। আর সেই কাঠামোটি হচ্ছে আলজাজিরার সেই কথিত ব্যবসায়ী এবং যাকে একজন নিরীহ লোক হিসেবে দেখানো হয়েছে সেই মোস্তফার আসল চরিত্র এবং তার সন্ত্রাসী জীবনের একটা সারমর্ম। মোস্তফা সম্পর্কে এই ধারণা পাঠকদের জানা এই কারণে জরুরি যে, পরবর্তী সময়ে যখন আমরা এই খোদ মোস্তফা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে জানব এবং তার মামলার আইনি পর্যালোচনায় ঢুকব সে সময় এই ইতিহাসটুকু পাঠকদের জন্য বেশ জরুরি হয়ে দাঁড়াবে।

লেখক: আইনজীবী

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x