শেখ হাসিনার রোপিত গাছে ফল ধরতে শুরু করেছে

শেখ হাসিনার রোপিত গাছে ফল ধরতে শুরু করেছে
শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি, সংগৃহীত

তাজউদ্দীন ভাই (শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ) যখন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী, তখন একদিন আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন, গাফ্ফার, আমি কাপাসিয়া যাচ্ছি, আপনি আমার সঙ্গে যাবেন?

একই অনুরোধ তিনি জানিয়েছিলেন প্রয়াত সাংবাদিক বন্ধু এ বি এম মূসাকে। আমরা দুজনেই রাজি হয়েছিলাম। আমি একটু কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, কাপাসিয়ায় কেন যাবেন তাজউদ্দীন ভাই? তিনি বললেন, কাপাসিয়ার দরদরিয়া গ্রামে আমার জন্ম। আগামীকাল ২৩ জুলাই আমার জন্মদিন। আমার এলাকার লোকেরা আমার সঙ্গে বসতে চায়।

কাপাসিয়ায় যেতে গিয়ে বুঝলাম, আমি এই এলাকায় আগে বহুবার এসেছি। এলাকাটি ভাওয়াল পরগনা নামে পরিচিত। ব্রিটিশ আমলের ভাওয়ালের রাজার কাহিনি বাংলাদেশের কে না জানে! মোগল আমলে ভাওয়ালের শাসক গাজী বংশের এক গাজী বারো ভুঁইয়ার এক ভুঁইয়া ছিলেন। তিনি বাংলার স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন। এই এলাকার বীর কিশোর ভবানী ভট্টাচার্য্য ত্রিশের দশকে বাংলার ইংরেজ গভর্নরকে গুলি করে হত্যা করার চেষ্টা চালিয়ে ফাঁসির মঞ্চে জীবনের জয়গান গেয়েছেন। স্বভাবকবি গোবিন্দ দাসের জন্ম এই ভাওয়াল পরগনাতেই। শহিদ আহসানউল্লা মাস্টার ও শহিদ ময়েজউদ্দীনের (দুজনেই ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা) জন্মও এই ভাওয়ালের মাটিতে। কৈশোরে এই ভাওয়ালের বনে আমরা পিকনিক করতে ও বেড়াতে যেতাম।

এই ভাওয়াল পরগনা থেকে কেটে এনে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ তৈরি করা হয় গাজীপুর জেলা। সম্ভবত এই এলাকার ভূতপূর্ব শাসক গাজী বাংশের নামানুসারে গাজীপুর নাম রাখা হয়। এই গাজীপুরের উপজেলা শ্রীপুর ও কাপাসিয়া। তাজউদ্দীন ভাইয়ের আমন্ত্রণে একবারমাত্র কাপাসিয়ায় গেছি। শ্রীপুরে গেছি বহুবার। গাজীপুরেও গেছি। ঢাকা থেকে ভাওয়ালের রাজবাড়ি জয়দেবপুর খুব দূরে নয়। জয়দেবপুরের পরের রেলস্টেশনই হলো শ্রীপুর। আমাদের ছাত্রজীবনে জয়দেবপুর ও শ্রীপুর দুটি এলাকাই ছিল গভীর অরণ্য দিয়ে ঘেরা। (এখন সেই অরণ্য আছে কি না, না ভূমিদস্যুদের কবলে বিলুপ্ত হয়েছে তা জানি না)।

আমি যখন পঞ্চাশের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, তখন ইংরেজি ও বাংলা বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ও শিক্ষকেরা মিলিত হয়ে বাত্সরিক বনভোজনে যেতেন জয়দেবপুরে। একবার ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (তিনি তখন বাংলা বিভাগের ছাত্র) প্রস্তাব করলেন, বারবার জয়দেবপুরে না গিয়ে পরের রেল স্টেশন শ্রীপুরে যাই না কেন? সবাই তার প্রস্তাব মেনে নিয়েছিলেন। সেবার আমাদের শ্রীপুরে যাওয়া হয়েছিল। জয়দেবপুরের চাইতেও ঘন অরণ্যঘেরা জায়গাটি দেখে মনে হয়েছিল জায়গাটির শ্রী যেন উপচে পড়ছে। তার শ্রীপুর নাম সার্থক।

আরো একটি কারণে গাজীপুর বিখ্যাত। মুক্তযুদ্ধের সময় গাজীপুরের মানুষ পাকিস্তানের হানাদারদের বিরুদ্ধে এক অতুলনীয় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। এই প্রতিরোধযুদ্ধে হানাদার বাহিনী প্রথমবারের মতো পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এই যুদ্ধে শহিদ হন হুরমত আলী, নিয়ামত আলী, মনো খলিফাসহ আরো অনেক বীর। আমার জীবনে সবচাইতে বিস্ময়কর চমক ঘটে এই গাজীপুরের মাওনা গ্রামে গিয়ে। সেখানে গিয়েছিলাম ২০১০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। তখনো গাজীপুর সিটি করপোরেশন স্থাপিত হয়নি। এলাকার এমপি রহমত আলী বেঁচে আছেন। তিনি আমাকে একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য মাওনা গ্রামে আমন্ত্রণ জানান। তিনি আমাকে জানান, এই অনুষ্ঠানে তত্কালীন তথ্যমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ এবং কবি নির্মলেন্দু গুণও উপস্থিত থাকবেন এবং আমার সঙ্গে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করবেন।

আমি রহমত আলীর আমন্ত্রণে রাজি হই। তার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা ছিল এবং যে বইটির মোড়ক উন্মোচন করতে হবে, সেটি তাকে নিয়েই লেখা। নাম ‘কালের আয়নায় রহমত আলী’। বইটির লেখকের সঙ্গেও আমার পরিচয় হলো, নাম ইজাজ আহমদ মিলন। তরুণ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। শ্রীপুর উপজেলারই মানুষ। শ্যামলা প্রতিভাদ্বীপ্ত চেহারা। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য দুই-দুইবার বজলুর রহমান স্মৃতিপদক পেয়েছেন। তার বইটিতে গাজীপুরের ইতিহাসও তুলে ধরেছেন। তার লেখায় মুনশিয়ানা আছে। পড়তে আগ্রহ জন্মায়। যত দূর মনে পড়ে, ২০১০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে মাওনায় গিয়েছিলাম। তথ্যমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানানোর জন্য রাস্তায় আধা মাইলের ব্যবধানে ৩৬টি তোরণ বানানো হয়েছিল। অর্থের এই অপচয় দেখে বিরক্ত হয়েছিলাম।

বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য আমন্ত্রিত হয়ে ভেবেছিলাম, কোনো ক্লাব বা স্কুলগৃহের কনফারেন্স হলে দুই-চারশ মানুষের সমাবেশে এই অনুষ্ঠান হবে। মাওনা উচ্চবিদ্যালয়ে এই সভা হবে জানানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে চক্ষুস্থির। কোনো স্কুলের মাঠ এত বড় হতে পারে তা আমার ধারণা ছিল না। মাওনা স্কুলের মাঠ বিশাল। আরো অবাক কাণ্ড, সেই বিশাল মাঠে মঞ্চ তৈরি করে তার ওপর শামিয়ানা টানিয়ে সেই আলোচনাসভার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটা যেন ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভা। বইয়ের প্রকাশনা ও মোড়ক উন্মোচন এমন বিশাল হয়, তা আমার ধারণা ছিল না। কিছুক্ষণের মধ্যে সেই বিশাল মাঠ জনতায় ভরে যায়। সর্বমোট দেড় লাখের মতো জনতার সমাবেশ ঘটেছিল সেই সভায়। নির্মলেন্দু গুণ উদাত্ত কণ্ঠে তার নিজের কবিতাও আবৃত্তি করেছিলেন সেই দেড় লাখ লোকের সভায়। যার বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, সেই ইজাজ আহমদ মিলনকে মঞ্চে দেখে জনতা উল্লাস প্রকাশ করল। বুঝলাম, এই তরুণ সাংবাদিকতায় এলাকায় বেশ জনপ্রিয়ও।

সাবেক এমপি রহমত আলীর কাছে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। আমি সেবার মিরপুরে যে বাসায় উঠেছিলাম, তার গলিটি ছিল ভাঙাচোরা। মোটরগাড়ি দূরে থাক, রিকশারও অগম্য। তার ওপর দুর্গন্ধযুক্ত জঞ্জাল তো ছিলই। স্থানীয় অধিবাসীরা কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার অনুরোধ জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। তারা আমাকে ধরল। আমি রহমত আলী সাহেবের দৃষ্টি সেদিকে আকর্ষণ করি। অনুরোধ করার পরদিনই দেখি সরকারের লোকজন এসে রাস্তাটি মেরামতের কাজ শুরু করে দিয়েছে। বছরের পর বছর জনসাধারণের এত আবেদনেও যে কাজটি হয়নি; এমপি সাহেবের এক হুকুমেই সে কাজ হয়ে গেছে।

শ্রীপুরের সেই ঘন অরণ্য পরিবেষ্টিত ডাকবাংলো এখনো আছে কি না, আমি জানি না। এই ডাকবাংলোতে এক শীতার্ত কুয়াশাঘেরা সন্ধ্যায় আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা বাত্সরিক বনভোজনে এসে আগুনের কুণ্ড জ্বেলে তার চারপাশে বসে রবীন্দ্রনাথের গান গেয়েছি, ‘আগুন জ্বালো আগুন জ্বালো।’ শ্রীপুরের ঘন অরণ্যে বেড়াতে গিয়ে বিভূতিভূষণের সেই উপন্যাসের কথা মনে পড়ত—‘হে অরণ্য কথা কও।’

না, অর্ধশতকেরও বেশি আগে দেখা সেই বন্য তরুণী শ্রীপুর এখন আগের মতো নেই। নেই দশ বছর আগে দেখা গাজীপুরও। বারো ভুঁইয়ার এক ভুঁইয়া ভাওয়ালের গাজীর নামে পরিচিত গাজীপুর শহরও আগের মতো নেই। তার নগরায়ণ ঘটেছে। ২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। গাজীপুর এমনিতেই শিল্প অধ্যুষিত এলাকা। গাজীপুরে শিল্প এলাকা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে জনসংখ্যা। দশ-বারো বছর আগে আমি যে গাজীপুর দেখেছি, তা এখন নেই। হাসিনা সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের স্পর্শে গাজীপুর এখন আধুনিক নগর। এজন্য বেশির ভাগ কৃতিত্বের দাবিদার শেখ হাসিনার হাতে গড়া নেতা, বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে মেয়র হয়েছেন। এখন তার বয়স ৪১।

তাকে আমার এই আলোচনায় টেনে আনলাম এজন্য যে তিনি শেখ হাসিনার হাতে গড়া যুবনেতা। আমার ধারণা, শেখ হাসিনা যদি জাহাঙ্গীরের মতো দশ জন নেতাও তৈরি করে যেতে পারেন, তাহলে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত্ নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। শেখ হাসিনা তার কাজে খুশি হয়ে নিজেই তাকে গণভবনে ডেকে এনে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব দেন। তার নেতৃত্বে গাজীপুর আওয়ামী লীগ এখন জনপ্রিয়তায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী। জাতীয় শোক দিবসে দলের কেউ যাতে চাঁদাবাজি না করে, সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা নেন জাহাঙ্গীর। শোক দিবসে কাঙালিভোজের ব্যবস্থা করেন।

ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়েই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের রাজনৈতিক জীবন শুরু। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি থাকাকালেই দেশের সর্ববৃহত্ গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে দেড় লাখ ভোট বেশি পেয়ে। গাজীপুরে তার যে ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, তা দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। সিটি করপোরেশনের মেয়র পদের প্রথম নির্বাচনেই জাহাঙ্গীর ঐ পদে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন না দিয়ে মনোনয়ন দেয় আজমতউল্লাহ খানকে। তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে যান বিএনপির প্রার্থী এম এ মান্নানের কাছে। অবশেষে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বয়ং উদ্যোগী হয়ে জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে মনোয়ন দেন। তিনি ২ লাখ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন এবং সিটি করপোরেশনকে গুছিয়ে তোলার কর্মসূচি নেন।

আমার সঙ্গে আলাপের সময় জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, ‘জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনা আমার অভিভাবক। ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর সব নির্দেশ পালন করছি। মেয়র নির্বাচিত হয়ে গণভবনে নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি আমাকে দেখিয়ে বলেছিলেন, আমি একটি চারাগাছ রোপণ করলাম। কথাটা সব সময় মাথায় থাকে। এই চারাগাছ থেকে বৃক্ষ হয়ে যেন জাতিকে ফল দিতে পারি এই দোয়া করবেন।’ শেখ হাসিনার রোপিত চারাগছ এখন বড় গাছ হয়েছে। ফল দিচ্ছে। এটা আমার মন্তব্য।

জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে গাজীপুরের উন্নত ও আধুনিক নগরায়ণে আমি বিস্মিত হয়েছি। মাত্র দুই বছর দুই মাস সময়ে নগরীর আমূল পরিবর্তন হয়েছে। চলতি বছরে ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারও ইতিমধ্যে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে গাজীপুর সিটিকে। ফলে গাজীপুরের চেহারা এখন পালটে গেছে। নগরবাসীর অনেক অভাব-অভিযোগ মোচন হয়েছে।

শুধু উন্নয়নের কাজে নয়, এবার করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের সময়েও জাহাঙ্গীর আলম নগরবাসীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। মহামারির শুরুতেই চীন থেকে নিজের অর্থায়নে ১ লাখ কিট আনেন বিশেষ ব্যবস্থায়। দেশের যেসব হাসপাতালে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়, সেই সব হাসপাতালে বিনা পয়সায় এসব কিট বিতরণ করেন। এখানেই শেষ নয়। মহামারির প্রথম দিকে ১ লাখ পরিবারকে ২০ দিনের খাবার পৌঁছে দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় আরো ৪ লাখ পরিবারকে ২০ দিনের খাবার পৌঁছে দেন। সিটি করপোরেশন এলাকায় আড়াই হাজার মসজিদের ইমাম ও খতিবের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা চালু করেছেন।

নগরের যানজট নিরসনে জাহাঙ্গীর আলমের উদ্যোগ অনুকরণীয়। যানজট নিরসনে ৩০০ ট্রাফিক সহকারী নিয়োগ দিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ২৫ হাজার মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করেছেন। জাহাঙ্গীর আলম একজন সত্ জনসেবকের ভূমিকা নিয়ে বর্তমানের জনপ্রিয়তা যদি ধরে রাখতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক জীবনে আরো উন্নতি করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

একজন ব্যক্তির প্রশংসা ও স্তূতির জন্য এই লেখা নয়। দেশে যখন সত্ নেতার দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের একশ্রেণির মন্ত্রী, এমপি, সিটি মেয়রের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠছে, তখন ঢাকার অদূরে গাজীপুরে একজন সত্ রাজনীতিক ও মেয়রের সঙ্গে পরিচিত হয়ে এবং বীর ভাওয়াল গাজীর দেশে হাসিনার হাতে গড়া একজন যুবনেতার আবির্ভাব দেখে মনে হয়েছে তার সম্পর্কে আমার কিছু লেখা উচিত। গাজীপুর এখন হাসিনার উন্নয়ন পরিকল্পনার ছোঁয়ায় একটি উন্নত সিটি। তার অতীতের ঐতিহ্য আধুনিক নাগরিক-নান্দীকতায় সজ্জিত। জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তার দলে এরকম ১০ জন কর্মী ও নেতাও তৈরি করে যেতে পারেন, তাহলে আওয়ামী লীগের জন্য দুশ্চিন্তা পোষণের কারণ দেখি না।

লন্ডন, ৫ সেপ্টেম্বর, শনিবার, ২০২০

ইত্তেফাক/জেডএইচ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত