প্রসঙ্গ : দ্বিতীয় দফা লকডাউন

প্রসঙ্গ : দ্বিতীয় দফা লকডাউন
প্রসঙ্গ : দ্বিতীয় দফা লকডাউন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ পরিলক্ষিত হচ্ছে। কোনো কোনো দেশ দ্বিতীয় দফা লকডাউনে যাচ্ছে। বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় কি দ্বিতীয় দফা লকডাউনে যাওয়া উচিত?

এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও পশ্চিমা দেশগুলোতে দ্বিতীয় দফায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে চলেছে শীত প্রধান দেশ হওয়ায়। আমাদের বাংলাদেশে আগামী দুই মাস পর শীত আসছে। তাদের মতো আমাদের দেশেও কোভিড ১৯-এর প্রকোপ দেখা দিতে পারে। তাই অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে শীত মৌসুমে নতুন করে লকডাউন দেওয়া যেতে পারে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী।

আওয়ার ওয়ার্ল্ড ইন ডাটার তথ্যানুযায়ী পরীক্ষার তুলনায় রোগের সংক্রমণ ও শনাক্তের হার বেশি বিশ্বের এমন শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে আছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে বহুরূপী করোনা ভাইরাস দ্বারা দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হয়ে নতুন করে লকডাউনে যাচ্ছে অনেক দেশ, এমতাবস্থায় বাংলাদেশ যেখানে জনসংখ্যার তুলনায় অনেক কম পরীক্ষা ও কম আইসোলেশন, সেখানে বিপদের ঘনঘটা অনুমান করা যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শে বেশি পরীক্ষা ও বেশি আইসোলেশন করে অনেক দেশ রোগ নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণ ও শনাক্তের হার প্রায় ২০ শতাংশ, যা ভয়ের কারণ। যেখানে আক্রান্তে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্রে এই হার ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ ও দ্বিতীয় শীর্ষ ভারতে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশের জনজীবন বর্তমানে অনেকটাই স্বাভাবিক, তেমনভাবে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। পরীক্ষার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের গা-ছাড়া ভাব- এ সব কিছু মিলিয়ে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ একটি দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে।

ডা. মর্জিনা আক্তার

গুলশান, ঢাকা।

করোনায় বিশ্ব অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে রাশিয়া ও চিন ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাচ্ছে। দেশে ভ্যাকসিনের ছাড়পত্র দিয়েছে। দেশের মানুষের মধ্যে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করছে। তারা বলছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বিশ্ববাজারে পাওয়া যাবে ঐ ভ্যাকসিন। আমাদের দেশের করোনা পরিস্থিতি অন্য অনেক দেশের চেয়ে ভালো। লকডাউনের চিন্তা না করে ভ্যাকসিন আমদানি করে দ্রুত প্রয়োগের চিন্তা করা উচিত।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল,গাজীপুর।

করোনা ভাইরাস বা চলমান মহামারি নিয়ে শহরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে মোটামুটি সচেতনতা থাকলেও গ্রামাঞ্চলের মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা নেই বললেই চলে। তবে করোনা ভাইরাসের অর্থনৈতিক প্রভাব পড়া শুরু করেছে গ্রামাঞ্চলে। শহরতলীগুলোতেও পড়ছে অর্থনৈতিক প্রভাব। কর্মহীন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। পত্র-পত্রিকার খবর থেকে সামাজিক অস্থিরতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। হাটবাজারগুলোতে স্বাস্থ্য সচেতনতার বালাই না থাকায় বাংলাদেশে বড় ধরনের স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

এস এম হূদয়, ফ্রিল্যান্স সংবাদকর্মী, ঢাকা।

আমাদের উদাসীনতা দ্বিতীয় আক্রমণের পথকে ক্রমশ মসৃণ করছে। স্থানীয় পর্যায়ের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে গণপরিবহন পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত চলাফেরা এবং নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো নিশ্চিত করতে না পারার চরম মাশুল গুনতে হতে পারে আমাদের। বিচ্ছিন্ন ও অপরিকল্পিত লকডাউন জনজীবনের দুর্ভোগ বাড়ানো ছাড়া আর কোনো উপকারে আসবে না।

আবু ফারুক

বনরুপা পাড়া, সদর, বান্দরবান।

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আসুক বা না আসুক আমাদের বর্তমান জীবনযাত্রায় যেহারে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা তাতে দেশ খুব সহসা করোনা মুক্ত হবে না তা নিশ্চিত করেই বলা যায়। গণপরিবহন, হাটবাজার, পর্যটনকেন্দ্রসহ কোনো জায়গাতেই সামাজিক দূরত্ব মানার বালাই নেই। অধিকাংশ মানুষ এখন মাস্কটাও ঠিকমতো ব্যবহার করছে না। পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর কথা বারবার বলা হলেও বাস্তবে তা কমেছে। এভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধের আশা বাতুলতা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের সর্বোচ্চ সচেতনতাই সংক্রমণের পরবর্তী ঢেউকে দুর্বল করতে পারে।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

বান্দরবান সদর, বান্দরবান পাবর্ত্য জেলা।

বিশ্ব জুড়ে শুরু হওয়া করুণাহীন করোনার প্রকোপ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হলেও পুরোপুরি কমেনি। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ওঠানামা করছে। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। আমরাও যে এর থেকে মুক্ত, নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তাই সতর্কতা অবলম্বনের কোনো বিকল্প নেই।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ।

দেশের করোনা পরিস্থিতির আশাব্যঞ্জক উন্নতি না হলেও স্বাভাবিকভাবে চলছে গণপরিবহনসহ সব কাজকর্ম। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সিংহভাগ মানুষের মাস্ক ব্যবহারে অনীহা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে না পারার ব্যর্থতা করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউকে ত্বরান্বিত করছে। বুলেটিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক মানুষ এখন দেশের করোনা পরিস্থিতির সঠিক তথ্যপ্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত। এ কারণে বাড়ছে অবহেলা। তাই নামমাত্র লকডাউন দিয়ে দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা ঠেকানো অসম্ভব। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে সবাইকে বাধ্য করা প্রয়োজন।

মোহাম্মদ ফয়সাল

১৪৬, ডি টি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের এই মুহূর্তে লকডাউনে যাওয়াটা যুক্তিসংগত হবে না। প্রয়োজনে সাস্থ্যবিধি মানার ওপর আরো বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা। এতে করে দেশের মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বাঁচার পাশাপাশি দেশের করোনা পরিস্থিতিরও উন্নয়ন হবে। পুরোপুরি লকডাউনের যেমন প্রয়োজনীয়তা এই মুহূর্তে নেই, তেমনি জাতিগতভাবে এটা মেনে নেওয়ার মানসিকতায়ও কেউ নেই।

মো. হাসান তারেক, রাণীগ্রাম, সিরাজগঞ্জ।

বিভিন্ন দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ পরীলক্ষিত হলেও বাংলাদেশে করোনার প্রথম ঢেউ দীর্ঘ হচ্ছে। দেশে গত জুনে সব অফিস, মার্কেট খুলে দেওয়া হয়েছে। গণপরিবহন চলছে স্বাভাবিক নিয়মে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কড়াকড়ি পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও আমাদের দেশে করোনা নিয়ে ঢিলেঢালাভাব চলছে। এলাকাভিত্তিক লকডাউন থেকে সরে এসেছে সরকার। এতে অর্থনৈতিক প্রাণ ফিরলেও করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। তাছাড়া করোনা পরীক্ষায় মানুষের আগ্রহ কম। হাসপাতালে দীর্ঘ বিড়ম্বনা, বাড়তি ফি, ফলাফল নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় পরীক্ষার সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে গণসচেতনতা বাড়ানো ও মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের জন্য প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।

মো.সাইমুন

সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম।

করোনার নামে আমাদের দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে লকডাউন বা সাধারণ ছুটি ঘোষিত হয়। মাসের পর মাস সবকিছু বন্ধ করে বসে থাকলে কী সমাজ-সংসার চলবে? স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছু চালিয়ে যেতে হবে।

সালেহা আফরিন বেবী, শিবগঞ্জ, সিলেট।

বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, মানুষের মধ্যে এখন করোনা নিয়ে কোনো ভীতিই কাজ করছে না! স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা বাড়ছে। মানুষ মাস্ক পরছে না, গণজমায়েত হচ্ছে এবং সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই পাবলিক প্লেসে। এরকম পরিস্থিতি যদি থাকে তাহলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বাংলাদেশের জন্যে ঝুঁকি বাড়বে বলেই মনে করি। তাছাড়া বাংলাদেশে করোনা পরীক্ষার ফি ধার্য করার পর থেকেই পরীক্ষা নিয়ে জটিলতা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার হার কমে গেছে। তার সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতাল, জেকেজি কেলেঙ্কারির পর মানুষের মধ্যে পরীক্ষা নিয়েও এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে, মানুষ এখন আর পরীক্ষায় তেমনটা আগ্রহী নয়। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্যে এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।

মেনহাজুল ইসলাম তারেক

পার্বতীপুর, দিনাজপুর।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার দ্বিতীয় হামলা বিশ্ববাসীকে শঙ্কিত করে তুলেছে। জনগণ পাবলিক প্লেসে সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধিগুলো পুরোপুরি পালন করলেই আমরা এই ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকতে পারব।

মাখরাজ খান, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ।

প্রথম দিকে সমাজের উঁচু থেকে নিচু স্তরের অধিকাংশ মানুষ করোনার ভয়ে তটস্থ ছিল। মার্চ মাসের শেষের দিকে ঘোষিত লকডাউনের শুরুতে শহরের প্রধান সড়কগুলো ছিল প্রায় জনশূন্য। করোনায় আক্রান্ত রোগী প্রয়োজনীয় চিকিত্সাসেবা নিতে না পেরে মৃত্যুবরণ করায় কিছু লোক ব্যতীত অধিকাংশ মানুষই নিজেদের রক্ষায় সরকারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা আদেশ পালনে তত্পর ছিল। এরই মধ্যে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি টেলি-পরামর্শ সেবাগ্রহণ করে সেরে ওঠায় মানুষের মধ্যে করোনাভীতি ক্রমেই হ্রাস পেয়েছে। অনেকেই ধারণা করছে, শীত আসলে এমনিতেই সর্দি কাশি বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে এই রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়ে যেতে পারে। তাই আগে থেকে সর্বমহলে আগাম সতর্কতা অবলম্বন করা এবং সবাইকে মাস্ক পরায় উত্সাহিত করা একান্ত জরুরি।

মো. ইসলাম

পায়ের খোলা, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা।

বিশ্বে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় দফা পরিলক্ষিত হলেও বাংলাদেশের জন্য তেমন লকডাউনের প্রয়োজন হবে না। সব জায়গাতেই সতেজ আবহাওয়া বিরাজ করছে। তুলনামূলকভাবে মৃত্যুর হারও অনেক হ্রাস পেয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সতর্কতা বেশি। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকলেও হাসপাতালগুলোর প্রতি খেয়াল রাখতে হবে এবং উপজেলাগুলোয় সব স্বাস্থ্যকর্মী উপস্থিত থাকুক— এ প্রত্যাশা সবার।

মনিরুজ্জামান

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ।

আমরা মনে করি, পরীক্ষার মাত্রা অবশ্যই বাড়াতে হবে। মাস্কসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে সরকারের বাড়তি তত্পরতা প্রয়োজন। এছাড়া সরকারি-বেসরকারি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, এনজিও এবং যুবসমাজের সহযোগিতা নিয়ে পাড়া-মহল্লাভিত্তিক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটাতে হবে। দীর্ঘদিন আরো নিয়মবিধি অনুসরণ করতে হবে।

বজলুল করিম, ধানমন্ডি, ঢাকা।

সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশেও কম সংক্রমণ হলেও সামনে শীতকাল সেজন্য একটু ভালো প্রস্তুতি দরকার। সেজন্য এখন থেকেই প্রচার-প্রচারণা বাড়াতে হবে। কোভিড-১৯ চিকিত্সাসহ সামাজিক চিকিত্সাক্ষেত্র ব্যবস্থাপনা আরো উন্নত করতে হবে। অক্সিজেনের সরবরাহ, আইসিইউসেবা বাড়াতে হবে। সেজন্য দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

আনতারা আনিকা লাবণ্য

ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ

আজিমপুর, ঢাকা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বাড়ছে একথা সত্য। করোনা মহামারির ব্যাপকতা বিবেচনায় টিকা উত্পাদনের কাজটি করতে হবে দ্রুতভাবে। বিশ্বের জনসংখ্যা এখন প্রায় ৭০০ কোটি। জনপ্রতি দুইটি করে টিকার প্রয়োগ হলে ১ হাজার ৪০০ কোটি টিকার প্রয়োজন হবে। সুতরাং বাংলাদেশেও এই টিকার বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।

বুশরা, পিলখানা, ঢাকা

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাছাড়া কোনো কোনো দেশ দ্বিতীয় দফা লকডাউনে যাচ্ছে। এখনো আমাদের দেশের ৩৮টি জেলায় সরকারি-বেসরকারি কোনো পরীক্ষাকেন্দ্র নেই। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের ঝুঁকির মুখোমুখি। আবার সামনে আসন্ন শীত মৌসুম। তাই কোভিড-১৯-এর বিষয়ে এখনই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।

হোসনে আরা বাশার নীলা

এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা

গত ৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে। ৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ১ম কোভিড রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে পরবর্তী ছয় মাসে এই রোগে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত এখন কম। তাই আমরা বলব, ছয় মাসে সরকারের কোভিড-১৯ মোকাবিলা কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা দরকার।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

করোনার এখন পর্যন্ত সঠিক কোনো ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। তাই একমাত্র লকডাউন ও সামাজিক দূরত্ব এবং জনসচেতনতা বজায় রাখা ছাড়া গত্যন্তর নেই।

আলহাজ হাফিজুর রহমান চৌধুরী হিফজু

হাউজ স্টেট, রাজশাহী।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত