ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
৩১ °সে


‘স্বপ্নের ঠিকানা’র খোঁজে গৃহায়ন মেলায় উপচেপড়া ভিড়

‘স্বপ্নের ঠিকানা’র খোঁজে গৃহায়ন মেলায় উপচেপড়া ভিড়

‘আগামীতে মেলা আরো বড়ো পরিসরে করা হবে’

ইত্তেফাক রিপোর্ট

নগরীতে অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব নিজের একটি সুন্দর সাজানো আবাসস্থলের স্বপ্ন দেখা মানুষের গতকাল বুধবার উপচেপড়া ভিড় ছিল গৃহায়ন মেলায়। ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০১৯’ উপলক্ষ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সোমবার থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী গৃহায়ন মেলা শেষ হয়েছে গতকাল। মেলায় আগতদের ব্যাপক আগ্রহ-উত্সাহ দেখে আয়োজকরা জানালেন, আগামীতে আরো বড়ো পরিসরে গৃহায়ন মেলার আয়োজন করা হবে। আয়োজকরা জানান, মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিবারের মতো এবারও এনেছিল নতুন নতুন বিভিন্ন প্রকল্প। এক ছাদের নিচে এ আয়োজনে ক্রেতাদের যাচাই-বাছাইয়ের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি হয়।

এবারের বসতি দিবস ও গৃহায়ন মেলা সম্পর্কে রাজউকের চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর যখন আমরা মন্ত্রণালয়ে সভা করি তখনই তিনি (মন্ত্রী) এবার বড়ো পরিসরে বিশ্ব বসতি দিবস উদ্যাপন ও গৃহায়ন মেলা আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

রাজউকের চেয়ারম্যান বলেন, বাসাবাড়ি এখন শুধুই বসবাসের জায়গা নয়। এখান থেকে বর্জ্য আকারে যেসব উপাদান বের হয় সেগুলোকে সম্পদে পরিণত করতে হবে। এছাড়া বাড়িঘর নির্মাণে প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরিবেশের বিষয়টিও এখন গুরুত্বপূর্ণ। কম খরচে, কম বিদ্যুত্ ব্যবহার করে কীভাবে অত্যাধুনিক বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব—সেটির ধারণা মিলেছে এ মেলায়।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. রাশিদুল ইসলাম জানান, নগরীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে তৈরি হচ্ছে কঠিন বর্জ্য। এসব বর্জ্য পরিবেশ দূষণ করছে। সাত থেকে ১০ টন বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। শতকরা ৮০ ভাগ তরল বর্জ্য পানিতে ফেলা হচ্ছে। যার কারণে মানুষের নানা ধরনের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সুষ্ঠুভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। বর্জ্যকে কীভাবে সম্পদে পরিণত করা সম্ভব—সেটিও নগরবাসীকে দেখানোর একটা লক্ষ্য ছিল এ মেলায়।

হাউজ বিল্ডিং অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামীম আখতার ইত্তেফাককে বলেন, উদ্বোধনের দিন থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মেলায় মানুষের আগ্রহ দেখে আমরা সন্তুষ্ট। রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর সামশুল আলামিন ইত্তেফাককে বলেন, এ ধরনের মেলাকে সবসময়ই আমরা ও নগরবাসী আবাসন সম্পর্কে জ্ঞান আহরণের একটা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে থাকি।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন