ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২২ °সে


বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনার ওপর রুশ ভাষায় প্রকাশিত বই প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনার ওপর রুশ ভাষায় প্রকাশিত বই প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গতকাল তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাত্ করেন রাশিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সের ও অরিয়েন্টাল স্টাডিজের অধ্যাপক ড. ভি নাওমকিন। এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধু-শেখ হাসিনার ওপর রুশ ভাষায় অনূদিত ও প্রকাশিত তিনটি বই প্রধানমন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর করেন —ফোকাস বাংলা

বিশেষ প্রতিনিধি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর রুশ ভাষায় অনূদিত ও প্রকাশিত তিনটি বই গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বইগুলো হলো—শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের জন্ম, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্মৃতি কথা এবং শেখ হাসিনার সঙ্গে অধ্যাপক ড. ভি নাওমকিনের আলাপচারিতা। অনুবাদক ও প্রকাশক রাশিয়ান একাডেমি অব সায়েন্সের ও অরিয়েন্টাল স্টাডিজের অধ্যাপক ড. ভি নাওমকিন বইগুলো হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানিয়ে বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে অধ্যাপক ড. ভি নাওমকিনের আলাপচারিতা বইটি রুশ ভাষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও আরবি এই তিনটি ভাষায়ও প্রকাশিত হয়েছে। প্রেস সচিব বলেন, অধ্যাপক নাওমকিন প্রধানমন্ত্রীকে আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্মৃতি কথা’ বইটি ব্যাপকভাবে বিতরণের পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন।

রুশ অধ্যাপক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে গত এক দশকে যে অভাবনীয় উন্নতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ তা প্রত্যক্ষ করছে। ড. নাওমকিন বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে রাশিয়া ও বাংলাদেশ চমত্কার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে এবং রাশিয়া বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সমর্থন যুগিয়েছে। বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে ড. নাওমকিন বলেন, এ ব্যাপারে মস্কো বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও অন্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রুশ ভাষায় বইটির অনুবাদ ও প্রকাশের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইনস্টিটিউট অব ওরিয়েন্টাল স্টাডিজের এ অধ্যাপককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে রুশ সরকার ও জনগণের সহযোগিতার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাইন অপসারণসহ যুদ্ধবিধ্বস্ত জাতি গঠনে তাদের সহযোগিতার কথা প্রধানমন্ত্রী কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বন্দরের মাইন অপসারণকালে বহু রুশ নৌ-সেনার জীবনাবসানের কথা উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, বিশেষ করে যুদ্ধপরবর্তী পুনর্নিমাণ কাজে সহায়তা, চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্তকরণ এবং সারাদেশে বিদ্যুত্ উত্পাদন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বাংলাদেশের জনগণ রুশ জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল তৃণমূল পর্যায়ে দেশের উন্নয়ন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের জন্য আমরা বহু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি এবং আমি যখন জেলে ছিলাম তখন আমি এর পরিকল্পনা করি।’ প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসান এবং রুশ রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার আই. ইগনাতভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন