ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২২ °সে


দুদকের মামলায় শাস্তির হার এখন ৭০ শতাংশ

দুদকের মামলায় শাস্তির  হার এখন ৭০ শতাংশ

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুদক চেয়ারম্যান

ইত্তেফাক রিপোর্ট

কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত মামলার শাস্তির হার বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশ। যা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বলে দাবি করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। তিনি বলেন, তদন্ত যদি ঠিকমতো না হয় এবং আদালতে প্রমাণ করতে না পারলে আদালত অপরাধীকে শাস্তি দিতে পারে না। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে দুদক কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও দুদকের যৌথ উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী মামলা তদন্তবিষয়ক এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এতে নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের বড়ো সমস্যা সক্ষমতার অভাব ও জনবল কম। এজন্য আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ উইং করেছি। জ্ঞান এমন একটি বিষয় যে উভয় উভয়ের কাছ থেকে শিখতে পারে। তদন্তে দুর্বলতার কারণে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয় জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, তদন্ত যদি ঠিক মতো না হয়, আদালতে প্রমাণ না করতে পারেন, তাহলে আদালত অপরাধীকে সাজা দিতে পারে না। আমরা যদি শুধু দুদক নিয়ে থাকি, বাইরের পৃথিবীতে কী হয় সেটা না জানি তাহলে অপরাধীদের সঙ্গে পারা যাবে না। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে সবসময় আপনাকে আপডেট থাকতে হবে। একটি দেশ থেকে কখনো দুর্নীতি চিরতরে দূর করা যাবে না জানিয়েছে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি আছে, দুর্নীতি থাকবে, দুর্নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, মামলা তদন্ত ও অপরাধ দমনে প্রযুক্তি ব্যবহার এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিটিটিসি ইউনিট জঙ্গি দমনে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সিটিটিসি ইউনিটের অভিজ্ঞতা ভালো। এই ইউনিটের কর্মকর্তারা দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে এরই মধ্যে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলেছেন। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে ডিএমপির অভিভাবক আরো বলেন, ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগত তদন্তের গুরুত্ব আরো বেড়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সিটিটিসি যাত্রা শুরু করে। এটি প্রথাগত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট না হলেও বিভিন্ন সময়ে সিটিটিসি ইউনিটের সদস্যদের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ও অপরাধ দমনের ওপর ইনহাউজ ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, সেমিনার বা বিষয়ভিত্তিক শর্ট ট্রেনিং করানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, দুদক ও সিটিটিসির উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী এই কর্মশালায় দুদকের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেছেন।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন