ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬
২৪ °সে


ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে উপকূলের বাসিন্দারা

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে  উপকূলের বাসিন্দারা
সাতক্ষীরা : সদর উপজেলার ইছামতী নদীর হাড়দ্দহ এলাকা —ইত্তেফাক

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আতঙ্কে রয়েছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় জনপদের মানুষ। উপকূলের প্রায় ২৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় তাদের মধ্যে এ আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সিডর ও আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত এসব বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন ও ফাটল থাকার পরও গত কয়েক বছরে তা সংস্কার না হওয়ায় তারা এমনিতেই আতঙ্কে ছিলেন, এখন তা আরো বেড়েছে।

এছাড়া নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় সিডর ও আইলা বিধ্বস্ত সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনি, কালীগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার ভাঙনকবলিত এলাকার লক্ষাধিক মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কার না হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে যেকোনো সময় আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জ ও দেবহাটা উপজেলার কপোতাক্ষ নদ, খোলপেটুয়া, ইছামতি এবং বেতনা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল খায়ের জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ নিয়ে বেশ আতঙ্ক রয়েছে। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিভাগের অধীনে ৩৮০ কিলোমিটর বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে কমপক্ষে ১০টি পয়েন্টে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধের পরিমাণ প্রায় আট কিলোমিটার এবং ঝুঁকিপূর্ণ বেড়ি বাঁধ ৩০ কিলোটারের মতো।

সাতক্ষীরা পাউবো বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ উজ্জামান খান জানান, ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় তার বিভাগে সব প্রস্তুতি নিয়েছি। এ বিভাগের ৪২০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ৬০টি পয়েন্টের ১২ কিলোমিটার বাঁধ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রায় ২০০ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৪ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন