ঢাকা সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১ পৌষ ১৪২৬
১৯ °সে

মহেশপুর সীমান্তে গরু পাচারকারী সিন্ডিকেট সক্রিয়

মহেশপুর সীমান্তে গরু পাচারকারী সিন্ডিকেট সক্রিয়

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী মহেশপুর উপজেলার ওপারে ভারতীয় গরু চোরাচালানি সিন্ডিকেট ও তাদের নিযুক্ত এদেশীয় এজেন্টরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর মোটা টাকা কমিশনের লোভে ভারতে গরু আনতে গিয়ে বিএসএফ’র গুলিতে প্রাণ যাচ্ছে বাংলাদেশিদের। এ মাসে ভারত থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে বিএসএফর গুলিতে প্রাণ গেছে দুই জন বাংলাদেশির।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেক আগে থেকেই সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। তাদের সঙ্গে সীমান্ত এলাকার এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধি জড়িত। বিজিবির খালিশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়ন থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়। মাদকের পাশাপাশি গরু, মহিষ, প্রসাধনীসামগ্রী ও পোশাক আসছে। ৩ নভেম্বর ভোররাতে জিরো লাইন পার হয়ে ভারতে গরু আনতে যান মহেশপুর উপজেলা বাউলী গ্রামের আব্দুর রহিম। পলিয়ানপুর সীমান্ত দিয়ে জিরো লাইন পার হয়ে ভারতে ঢোকেন কয়েকজন বাংলাদেশি। এ সময় হাবাশপুর ক্যাম্পের বিএসএফ’র একটি টহলদলের সামনে পড়েন আব্দুর রহিম। বিএসএফ তাড়া করে ধরে ফেলে তাকে। পিটুনিতে মারা যান তিনি।

নেপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শামসুল আলম জানান, তিনি জানতে পেরেছেন চোরাচালানিরা ৭০ হাজার টাকা দিলে দুটি গরু দিবে বলে লোভ দেখায় আব্দুর রহিমকে। ৭০ হাজার নিয়ে গরু দেওয়ার কথা বলে তাকে সীমান্তে নিয়ে যায়।

বিজিবির খালিশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল কামরুল আহসান জানান, বিএসএফ’র গুলিতে সুমন নিহত হওয়ার পর তদন্তে নেমে জানতে পারেন, ঐ দিন একসঙ্গে সাত জনকে গরু আনতে পাঠায় ঐ এলাকার এক চোরাচালানের গডফাদার। সুমন বিএসএফর গুলিতে নিহতের পর অন্যরা পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। সুমনের বাবা যাতে অন্যদের নাম না বলে এজন্য তার মুখ বন্ধ করতে ৭০ হাজার টাকা দেয়।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন