ঢাকা সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯, ৯ বৈশাখ ১৪২৬
৩২ °সে

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

কাউখালীতে আওয়ামী লীগ সরব, বিএনপি নীরব

কাউখালীতে আওয়ামী লীগ  সরব, বিএনপি নীরব

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগ্রহের শেষ নেই পিরোজপুরের কাউখালীর তৃণমূলের। চায়ের টেবিল থেকে রাজনীতির টেবিল পর্যন্ত কাউখালীর সর্বত্র চলছে আগামী উপজেলা নির্বাচনের মনোভাব এবং সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। ব্যানার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে কাউখালীর রাস্তা-ঘাট।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় প্রার্থীরা আঁটঘাট বেঁধেই মাঠে নেমেছেন। এলাকায় শুরু হয়েছে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ। অপরদিকে ২০০৯ ও ২০১৪ সালে বিএনপির প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেও এ বছর তারা নীরব। দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে নবীন-প্রবীণ দেড় ডজন হেভিওয়েট প্রার্থী চষে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের বাড়ি। তাদের লক্ষ্য একটাই যে করেই হোক দলীয় মনোনয়ন চায়।

ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার পল্টন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মিঠু, কাউখালী সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আমিনুর রশীদ মিলটন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিত্ পাল, জাতীয় পার্টির জেপি নেতা আবু সাইদ মিয়া মনু। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে ইতোমধ্যে মাঠে গণসংযোগ করেছেন উপজেলা জাতীয় পার্টি জেপি’র সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম নসু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহীন মাহামুদ, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ সিকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক লাইয়েকুজ্জামান মিন্টু তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মৃদুল আহম্মেদ সুমন।

আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে গণংসযোগ করতে দেখা গেলেও বিএনপি ও অন্যান্য দলের কাউকে এখনও মাঠে দেখা যাচ্ছে না।

মনিরুজ্জামান পল্টন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। ৩য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পর বিভিন্ন ইউনিয়নের রাস্তাঘাটে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ সবশেষ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন।

কামরুজ্জামান মিঠু। তিনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে গত পাঁচ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার লক্ষ্যে গ্রামে গ্রামে গণসংযোগ করছেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রাজনৈতিক নানা প্রতিবন্ধকতার মাঝেও তিনি নিজের যোগ্যতায় অবস্থান ধরে রেখেছেন।

আবু সাইদ মিয়া মনু জাতীয় পার্টি জেপি’র এই নেতা সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। তিনি এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন।

আমিনুর রশীদ মিলটন। তিনি কাউখালী সদর ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি থাকা অবস্থায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

বিশ্বজিত্ পাল। তিনি নির্বাচনে একবারেই নতুন মুখ। বিগত সংসদ নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই উপজেলায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি পিরোজপুর—২ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ এপ্রিল, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন