আজকের পত্রিকা
ঢাকা বুধবার, মে ১২, ২০২১, ২৯ বৈশাখ ১৪২৮পাবনায় এখনো বসেনি পিসিআর ল্যাব
পাবনা প্রতিনিধি ও ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা
পাবনা জেলায় পিসিআর ল্যাব এখনো বসেনি। ফলে করোনার নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লেও শনাক্ত হচ্ছে না। গত বছরের ৪ জুলাই পাবনা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধকল্পে এক মতবিনিময় সভায় বলেছিলেন, ‘করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য অচিরেই পাবনায় তিনটি পিসিআর মেশিন স্থাপন করা হবে। সরকারি অর্থায়নে একটি এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ প্রকল্পের অর্থায়নে আরো দুইটি মেশিন বসানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’ এরই মধ্যে ১০ মাস অতিক্রম হলেও পাবনায় একটিও পিসিআর ল্যাব এখনো স্থাপন হয়নি। জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় ৩০ লাখ মানুষের বসবাস। বর্তমান ৯টি উপজেলার সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্র হতে সংগৃহীত নমুনা জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় সিরাজগঞ্জে পিসিআর ল্যাবের মাধ্যমে পরীক্ষা হয়। সীমিত পরিসরে নমুনা সংগ্রহের পর রিপোর্ট পেতে সময় লাগছে ৪-১০ দিন। এরই মধ্যে করোনার বিস্তার ঘটলেও পরীক্ষার সুযোগ না থাকায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনের প্রতিশ্রুতির অগ্রগতির বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মোমেন বলেন, ‘একটি ল্যাবই স্থাপন হচ্ছে না, আবার তিনটি। তবে পাবনা মেডিক্যাল কলেজে একটি ল্যাব বসানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। ল্যাবের অবকাঠামো নির্মাণকাজ শেষ পর্যায়ে। সরকার মেশিন সরবরাহ করলে কাজ শুরু হতে পারে।’ পাবনায় এখন প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য সিরাজগঞ্জের এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হচ্ছে এবং রিপোর্ট পেতে চার-পাঁচ দিন সময় লাগছে বলে জানান তিনি। পিসিআর ল্যাব স্থাপনের বিষয়ে জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ জানান, এখন পর্যন্ত ফিজিক্যালি ডেভেলপমেন্ট নেই। তবে অবকাঠামোগত প্রস্ততি চলছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাতে কোনো মেশিন নেই। বিদেশ থেকে মেশিন আসলে পাবনায় পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

